চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১

সর্বশেষ:

৫ জানুয়ারি, ২০২১ | ৫:৩৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার টিকার জন্য আরও ৫ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ

সরকার করোনাভাইরাসের টিকা আমদানির জন্য আরও ৫ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে। এ নিয়ে টিকার জন্য বরাদ্দ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭৮৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে জরুরি ভিত্তিতে ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স এন্ড প্যানডেমিক প্রিপার্ডনেস’ প্রকল্পটি সংশোধন করে টিকা কেনার জন্য এই অর্থায়ন অনুমোদন দেয়া হয়।

শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় গত এপ্রিল মাসে জরুরি ভিত্তিতে ১ হাজার ১২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। আজকের বৈঠকে টিকা আমদানির জন্য অতিরিক্ত ৫ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধন করা হল। এই অতিরিক্ত অর্থায়নের জন্য ৫০ কোটি ডলার বিশ্বব্যাংক ও ১০ কোটি ডলার এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) সহায়তা দেবে। আর ১৭২ কোটি টাকার যোগান সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে দেয়া হবে।

এক প্রশ্নের উত্তরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী টিকা পাওয়া যাবে। আমরা আশা ও বিশ্বাস করি, ভ্যাকসিন আমরা পাব।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্বাস্থ্য সেবা সচিব মো. আব্দুল মান্নানের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলেন, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-এস্ট্রাজেনেকার টিকা আমদানির জন্য যে চুক্তি হয়েছিল, সেটি জিটুটি (সরকারের সঙ্গে সরকারের) চুক্তি ছিল, না সেরাম ইনস্টিটিউট আর বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি ছিল। ভ্যাকসিন আনার প্রক্রিয়া যাই হোক না কেন, আমরা সময় মত তা পাব।

পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য আবুল কালাম আজাদ অনুমোদন পাওয়া এই প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে বলেন, দেশে ১৮ বছরের বেশি বয়সী ১৩ কোটি ৭৬ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। এর অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ৩ কোটি ডোজ টিকা আমদানি করা হচ্ছে। মহামারির অগ্রাধিকার বিচারে স্বাস্থ্যকর্মী, শ্রমঘন এলাকা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং গণমাধ্যম কর্মীসহ সবাইকে পর্যাক্রমে এই টিকার আওতায় আনা হবে।

প্রসঙ্গত, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এস্ট্রাজেনেকা করোনাভাইরাসের টিকার উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। গত ৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটির সাথে কোভিশিল্ড নামের ওই টিকার তিন কোটি ডোজ কিনতে সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। গতকাল সোমবার (৪ জানুয়ারি) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এই টিকা আমদানি ও জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনও দিয়ে দিয়েছে।

 

 

পূর্বকোণ/আরপি

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 148 People

সম্পর্কিত পোস্ট