চট্টগ্রাম শনিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২১

সর্বশেষ:

২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ | ৭:৪৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা থাকায় উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনতার ক্ষমতা জনতার হাতে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি। জনতার গণতান্ত্রিক অধিকার এখন জনতার হাতে। আওয়ামী লীগ দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেছে বলেই দেশ উন্নয়নের ধারায় ফিরতে পেরেছে এবং জনগণ যার সুফল পাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভার সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভা ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫) প্রণয়নে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জনতার গণতান্ত্রিক অধিকারটা জনতার হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি। ক্ষমতাটা এখন জনতার হাতে। এর ফলে আমাদের উন্নয়নের গতিধারাটাও যথেষ্ট সচল হয়েছে। সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছে। গ্রামের মানুষ সুফল পাচ্ছে, সেটাই হচ্ছে বড় কথা।

’৭৫ পরবর্তী সময়ে মিলিটারি শাসকদের কারণে দেশের উন্নয়ন থমকে গেছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ছিল না, হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয়েছিল। একের পর এক সামরিক শাসকরা ক্ষমতায় এসেছে, ক্ষমতাটা ওই ক্যান্টনমেন্টের ভেতরেই বন্দি ছিল। যে কারণে উন্নয়নের গতিধারাটা অব্যাহত থাকেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার যে লক্ষ্য ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার, সে লক্ষ্য নিয়েই তার সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বের দরবারে আজ বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। অথচ এক সময় বাংলাদেশ বললে লোকজন এমন একটা ভাব দেখাতো যে এই বাংলাদেশ যেন সবার কাছে হাত পেতেই চলে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা আরও বলেন, যদিও তখন আমি বিরোধী দলে ছিলাম তবুও সেটা আমার আত্মসম্মানে বাধতো, কষ্ট লাগতো। কেননা, সারাটা জীবন জাতির পিতা সংগ্রাম করেছেন, কষ্ট করেছেন। লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা এনেছেন, সেই স্বাধীন দেশকে কেউ এরকম অবহেলার চোখে দেখলে সেটা আমাদের জন্য লজ্জাজনক।

দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তারা আমাদের প্রতি আস্থা রেখেছে, বিশ্বাস রেখেছে। পর পর তিন বার আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই আমরা দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিতে পেরেছি। যেমন আমরা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিতে পেরেছি। ২০১০ থেকে ২০২০ একটা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা আমরা প্রণয়ন করি। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ কতটুকু উন্নতি করতে পারবে। তারপর আমরা আরেকটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সাল অর্থাৎ এই ২০ বছর মেয়াদী একটা পরিকল্পনা আমরা করে রেখেছি। সাথে সাথে ২১০০ সাল পর্যন্ত আমরা একটা ডেল্টা প্ল্যান করে রেখেছি।

সরকারপ্রধান আরও বলেন, সরকারে থাকি বা যারাই থাকুক তারা যদি এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশকে আমরা একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।

 

পূর্বকোণ/আরপি

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 103 People

সম্পর্কিত পোস্ট