চট্টগ্রাম রবিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২১

সর্বশেষ:


Notice: Undefined property: stdClass::$container_aria_label in /home/dainikpurbokone/public_html/wp-includes/nav-menu-template.php on line 190

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ২:৩৫ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

ফিনসেন ফাইলসে ‘সন্দেহজনক লেনদেনে’ বাংলাদেশের ৩ ব্যাংক

ফিনসেন ফাইলসে ‘সন্দেহজনক লেনদেনের’ বিপুল নথি ফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশের তিন ব্যাংকের নাম এসেছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে (এসআইবিএল) বিদেশ থেকে টাকা এসেছে। আর রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক থেকে বিদেশে টাকা পাঠানো হয়েছে।

ওই তিন ব্যাংকের মাধ্যমে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে আটটি ‘ট্রানজেকশনে’ সব মিলিয়ে ৮ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৭ ডলার লেনদেন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন ব্যাংকের সন্দেহজন লেনদেনের প্রায় আড়াই হাজার দলিল প্রকাশ করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জোট ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস (আইসিআইজে), যাকে বলা হচ্ছে ‘ফিনসেন ফাইলস’।

বিভিন্ন ব্যাংক ২০০০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ফিনসেনকে এসব লেনদেনের তথ্য পাঠিয়েছিল। এসব লেনদেনে দুই লাখ কোটি ডলারের বেশি অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, যার উৎস ও উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ থাকার কথা ব্যাংকগুলো ফিনসেনকে জানিয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক: অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড নিউজিল্যান্ড ব্যাংকিং (এএনজেড) থেকে ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর তিন ট্রানজেকশনে বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংকে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৩৩ ডলার আসে।

এসআইবিএল: লাটভিয়ার রিজিওনাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক থেকে ২০১৪ সালের ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশের সোশাল ইসলামী ব্যাংকে আসে ১ হাজার ৬০০ ডলার।

রূপালী ব্যাংক: বাংলাদেশের রূপালী ব্যাংক থেকে ২০১৬ সালের ১৫ ও ২২ সেপ্টেম্বর তিনটি ট্রানজেকশনে জার্মানির ডয়েচে ব্যাংকে পাঠানো হয় মোট চার লাখ ৯৫ হাজার ২০৪ ডলার।

আইসিআইজের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের তিন ব্যাংকে সন্দেহজনক লেনদেনের যে আটটি ঘটনার তথ্য এসেছে, সেসব লেনদেনে আন্তর্জাতিক মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক মেলন করপোরেশন।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 129 People

সম্পর্কিত পোস্ট