চট্টগ্রাম শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

১৫ মে, ২০১৯ | ১:১৬ পূর্বাহ্ণ

উত্তর কোরিয়া

‘জাহাজ আটক ট্রাম্প-কিম বৈঠকের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করেছে’

মার্কিন বিচার বিভাগ জানায়, ওই
জাহাজটিতে করে কয়লা পরিবহন করা হতো, যা উত্তর কোরিয়ার প্রধান রফতানি পণ্য। দেশটির কয়লা রফতানির ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক উত্তর কোরিয়ার একটি কার্গো জাহাজ আটকের কঠোর সমালোচনা করেছে পিয়ংইয়ং। মঙ্গলবার দেশটি বলছে, এ ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। একইসঙ্গে এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্প-কিম বৈঠকের যে উদ্দেশ্য; এর মধ্য দিয়ে তা-ও ব্যাহত হয়েছে। তাই বিলম্ব না করে আমেরিকার উচিত এটি ফিরিয়ে দেওয়া। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজটি আটকে রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের যে প্রস্তাবনার কথা উল্লেখ করেছে সেই প্রস্তাবনা প্রত্যাখ্যান করছে পিয়ংইয়ং। কেননা, এটি সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, জাহাজ আটক করে যুক্তরাষ্ট্র বেআইনি ও ভয়ানক কাজ করেছে।
৯ মে উত্তর কোরীয় কার্গো জাহাজটি আটক করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দাবি, জাহাজটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেছিল।
গত ফেব্রুয়ারিতে ভিয়েতনামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বৈঠক কোনও চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর ক্রমেই অধৈর্য হয়ে ওঠে পিয়ংইয়ং। কিম বাজে চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন বলে অভিহিত করে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গত মাসে কৌশলগত নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র পরীক্ষার কথা স্বীকার করে পিয়ংইয়ং। গত ৪ মে দক্ষিণ কোরিয়ার তরফে জানানো হয়, উত্তর কোরিয়া বেশ কয়েকটি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। তার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দুটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা জানালো তারা।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সঙ্গে এই জাহাজ আটক ঘটনার কোনো যোগসূত্র নেই। মার্কিন বিচার বিভাগ জানায়, ওই জাহাজটিতে করে কয়লা পরিবহন করা হতো, যা উত্তর কোরিয়ার প্রধান রফতানি পণ্য। দেশটির কয়লা রফতানির ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
‘ওয়াইজ অনেস্ট’ নামের ওই জাহাজটিকে ২০১৮ সালের এপ্রিলে প্রথম ইন্দোনেশিয়া আটক করে।

শেয়ার করুন