চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২

সর্বশেষ:

২৪ অক্টোবর, ২০২২ | ৩:০০ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাজ করছে না সালমান রুশদির এক চোখ-হাত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বক্তৃতা দেওয়ার প্রস্তুতিকালে ছুরিকাঘাতে আহত আলোচিত লেখক সালমান রুশদির এক চোখ ও হাত অকেজো হয়ে গেছে। সোমবার (২৪ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এএফপির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, সালমান রুশদির এজেন্ট এন্ড্রু ওয়াইলি জানিয়েছেন, নৃশংস হামলায় ৭৫ বছর বয়সী এই লেখক মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। তিনি একচোখে প্রায় দৃষ্টি হারিয়েছেন। পুরো শরীরে তিনটি বড়সড় আঘাত পেয়েছেন তিনি। হাতের জখমের কারণে তার এক হাতও কাজ করছে না। এছাড়া কাঁধসহ শরীরের ১৫ জায়গায় তার সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তিনি বেঁচে আছেন।

 

গত ১২ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি শিক্ষাকেন্দ্রে হলভর্তি দর্শকের সামনে বক্তৃতা দেওয়ার প্রস্তুতিকালে সালমান রুশদির ওপর ওই হামলা হয়। ১৯৮৮ সালের সেপ্টেম্বরে রুশদির বিতর্কিত স্যাটানিক ভার্সেস বইটি প্রকাশিত হয়। মহানবী ও তার স্ত্রীদেরকে নিয়ে চরম আপত্তিকর বক্তব্য প্রকাশ করেন রুশদি। এ ঘটনায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী ১৯৮৯ সালে রুশদির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারি করেন। এরপর রুশদি আত্মগোপনে চলে যান ও সব সময় পুলিশ প্রহরায় তাকে জীবনযাপন করতে হয়েছে।

গত আগস্ট মাসে হামলার পর তার ছেলে জাফর রুশদি জানিয়েছিল যে, তার বাবার ওপর যে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে তা মারাত্মক ও জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেবে।

এ ঘটনায় হাদি মাতার নামে লেবাননী বংশোদ্ভুত একজন ২৪ বছর বয়সী আমেরিকান নাগরিককে আটক করা হয়। আটকের পর আগস্ট মাসেই কারাগারে থাকা অবস্থায় নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাদি মাতার খোমেনীকে মহান ব্যক্তিত্ব বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি এ কথা বলেননি যে, ইমাম খোমেনীর ওই ফতোয়া অনুসরণ করে তিনি রুশদির ওপর হামলা চালিয়েছেন। তবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন