চট্টগ্রাম বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২

সর্বশেষ:

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ১২:৩৫ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রানি এলিজাবেথের শোক বইতে প্রধানমন্ত্রীর বাংলায় স্বাক্ষর

সন্ধ্যায় স্বামী প্রিন্স ফিলিপের পাশের কবরেই শায়িত হবেন যুক্তরাজ্যের সদ্যপ্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। রানির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ওয়েস্টমিনস্টার হলের শবাধারে সংরক্ষিত প্রয়াত রানিকে শ্রদ্ধা জানান এবং ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে একটি শোক বইতে বাংলায় স্বাক্ষর করেন।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে যোগ দিতে সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পৌঁছান। রানির শেষযাত্রায় যেন কোন ত্রুটি না থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে তৎপর যুক্তরাজ্যের প্রশাসন। শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশি। তাদের মধ্যে আছেন দেশ-বিদেশের রাষ্ট্রপ্রধান-সহ ৫০০ বিশেষ অতিথি।

 

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত রানির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে ওয়েস্টমিনস্টার প্যালেসে যান। শেখ হাসিনা ওয়েস্টমিনস্টার প্যালেসের হলে শবাধারে সংরক্ষিত প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রতি তার শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

এর আগে, ওয়েস্টমিনস্টারে পৌঁছালে ব্রিটিশ স্পিকারের প্রতিনিধি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও তার ছোট বোনকে স্বাগত জানান। পরে তাদের ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে শোক বই খোলা হয়েছে। সেখানে বাংলায় শোকবার্তা লেখেন প্রধানমন্ত্রী।

 

এতে শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘আমি বাংলাদেশের জনগণ, আমার পরিবার এবং আমার ছোট বোন শেখ রেহানার পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’ এরপর প্রধানমন্ত্রীকে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তিনি টেলিভিশনের সামনে রানির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এরপর শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন শেখ রেহানা, যিনি নিজেও একজন ব্রিটিশ নাগরিক। তিনি লিখেছেন ‘তিনি আমাদের হৃদয়ের রানি এবং সবসময় থাকবেন।’

 

ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভিকি ফোর্ড তাকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, তিনি প্রয়াত রানির সঙ্গে তার জীবদ্দশায় আট বা নয় বার দেখা করেছিলেন এবং রানি তাকে তার স্বনামেই চিনতেন। তিনি যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে বলেন, ‘তিনি আমার কাছে একজন মাতৃতুল্য ব্যক্তিত্ব ছিলেন, আমি আমার মায়ের মতো একজনকে হারিয়েছি। মনে হচ্ছে, একজন অভিভাবক চলে গেলেন।’

সৈয়দা মুনা তাসনিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা দুজনেই ১৯৬১ সালে রানিকে দেখেছিলেন, যখন তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) সফর করেছিলেন।

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট