চট্টগ্রাম সোমবার, ০৮ মার্চ, ২০২১

সর্বশেষ:

১৭ জানুয়ারি, ২০২১ | ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ

পূর্বকোণ ডেস্ক

বিদায় বেলায় এ কোন ট্রাম্প!

গর্জন করা বাঘ নয় কিংবা ক্যামেরার মুহুর্মুহু ক্লিক অথবা জনতার হর্ষধ্বনিও নয়, বিদায়বেলায় ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুটা হতোদ্যম, মিনমিনে গলার বিড়ালই যেন হয়ে গেলেন। এবেলায় এসে কেমন যেন নিঃসঙ্গ, বঞ্চিত এবং অনেকটাই ক্ষুব্ধ তিনি। একসময় যে ট্রাম্প ‘তাকে সন্তুষ্ট করতে ব্যর্থদের’ যেভাবে নির্দ্বিধায় ‘পৃষ্ঠপ্রদর্শন’ করেছেন, আজ বিদায়বেলায় ‘এতোদিন তার প্রতি অনুগতদের অনেকে ঠিক একইভাবে ‘পৃষ্ঠ’ দেখিয়ে তাকে প্রায় ‘নিঃসঙ্গ’ করে ছেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানে না থাকার কথা আগেই জানিয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফলে গত দেড় শতাব্দী ধরে তিনিই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার পরবর্তী উত্তরসূরির শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন না। ১৮৬৯ সালের পর এই প্রথম কোনো বিদায়ী প্রেসিডেন্ট তার উত্তরসূরি প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন না। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে আরও তিন জন প্রেসিডেন্ট উত্তরসূরির অভিষেকে অংশ নেননি। তারা হলেন- সাবেক প্রেসিডেন্ট জন অ্যাডামস, জন কুইন্সি অ্যাডামস ও অ্যান্ড্রু জনসন।
তবে এতে বেশ খুশি নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেছেন, ট্রাম্প অনুষ্ঠানে আসবেন না, সেটাই বরং ভালো! তবে অনুষ্ঠানে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে ২০ তারিখের ওই অনুষ্ঠানে সসম্মানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এ ডেমোক্র্যাট নেতা। তিনি বলেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্টকে আসার জন্য স্বাগতম, তাকে পেলে আমি নিজেকে সম্মানিত বোধ করব।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রেসিডেন্টের অংশগ্রহণকে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। এধরনের ঘটনা সবশেষ দেখা গিয়েছিল ১৮৬৯ সালে। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জনসন তার উত্তরসূরীর অভিষেকে অংশ নেননি।
এবার জানা গেল, বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবার দিনই (কিন্তু শপথ নেওয়ার আগেই) ওয়াশিংটন ছেড়ে চলে যাবেন তিনি। এর আগে তিনি অভিষেকের আগের দিন অর্থাৎ আগামী মঙ্গলবারই ওয়াশিংটন ডিসি ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। জানা গিয়েছিল তাঁর বিদায়ী অনুষ্ঠানটিও ওয়াশিংটনের বাইরের ঘাঁটি জয়েন্ট বেইজ অ্যান্ড্রুজে করার পরিকল্পনা ছিল তার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ারফোর্স ওয়ানের সদর দপ্তর এই ঘাঁটিতে। জয়েন্ট বেইজ অ্যান্ড্রুজে বিদায়ী অনুষ্ঠান শেষে ট্রাম্প ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পাম বিচে উড়ে যাবেন। সেখানে তাঁর মার-এ-লাগো রিসোর্টে তিনি শুরু করবেন তাঁর পরবর্তী জীবন। হোয়াইট হাউসে বর্তমানে কর্মরত বেশ কয়েকজন সহকারীও ওই রিসোর্টে তাঁর জন্য কাজ করবেন বলে জানা গেছে।
তবে সর্বশেষ জানা গেছে (ওয়াশিংটন পোস্ট, ১৬ জানুয়ারি) পেন্টাগন তাকে সেই সম্মান দিচ্ছে না ( বা তিনি নিজেই সেটা আর চাইছেন না)। অর্থাৎ সাধারণতঃ বিদায়ী প্রেসিডেন্টকে পেন্টাগন যে ‘আর্মড ফোর্সেস ফেয়ারওয়েল’টি দিয়ে থাকে, এবার ট্রাম্প সেটি পাচ্ছেন না, বা তিনি নিজেই হয়তো তা নিতে চাইছেন না।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেছেন, বাইডেনের শপথের আগে তাঁকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁর কয়েকজন উপদেষ্টা। তবে এতে কান দিচ্ছেন না ট্রাম্প। এদিকে, সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, নিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আরও কয়েকজনকে প্রেসিডেন্টের ক্ষমা ঘোষণার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প। এই তালিকায় তিনি নিজেকেও বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথা অনুযায়ী, বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওভাল অফিসের ড্রয়ারে একটি চিঠি রেখে যান পরবর্তী প্রেসিডেন্টের জন্য।
যেখানে উত্তরসূরিকে নানা বিষয়ে পরামর্শ দেয়া থাকে বিদায়ী প্রেসিডেন্টের। ট্রাম্প তার উত্তরসূরি জো বাইডেনের জন্য এমন কোনো চিঠি রেখে যাবেন কিনা- এ নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। যদি রেখেও যান, তাহলে কী লেখা থাকতে পারে সেই চিঠিতে- তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে কৌতুহলের অন্ত নেই। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার রেখে যাওয়া এমন চিঠি ডোনাল্ড ট্রাম্প অতিথিদের দেখাতেন। যেখানে সাবেক পূর্বসূরি হিসেবে ওবামা দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধানের সমুন্নত রাখার চমৎকার সব কথা লিখেছিলেন। সাফল্য কামনা করেছিলেন উত্তরসূরি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
যা হোক, অন্য প্রেসিডেন্টরা জাঁকজমক আয়োজনের মধ্য দিয়ে যেভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলেন তেমন আয়োজন এবার অনুপস্থিত। ট্রাম্প অফিস ছাড়ছেন নিরানন্দ পরিবেশে। আক্ষরিক অর্থেই ছোট হয়ে আসছে তার চারপাশ। খুব কাছের মানুষগুলোও এখন পাশে নেই। সবার আতঙ্ক- আগামী ২০ জানুয়ারি দুপুরের পর কী ঠিক ঘটতে যাচ্ছে তাদের জীবনে?
এমন পরিবেশের বর্ণনা দিয়ে শুক্রবার’র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, সম্প্রতি ট্রাম্পের খুব কাছের উপদেষ্টারা এক সাধারণ আলোচনায় তার সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে কথা তুলেছিলেন। কিন্তু, ট্রাম্প তা তাৎক্ষণাৎ নাকচ করে দিয়েছেন।
সংবাদ প্রতিবেদন মতে, অপর এক আলোচনায় ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের প্রসঙ্গ তুলে বলেছেন- তিনি নিক্সনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি করতে চান না। কেননা, নিক্সনই আমেরিকার ইতিহাসে একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি পদত্যাগ করেছিলেন (ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির কারণে)। তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেলাল্ড ফোর্ড যেমন নিক্সনকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন তেমন করে তার ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স তাকে ক্ষমা করুক- তাও চান না ট্রাম্প।
সিএনএন জানায়, অনেকটা দলের চাপের মুখেই বৃহস্পতিবার একটি সাক্ষাৎকার দেন ট্রাম্প। এসময় ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় সমর্থকদের সমালোচনা করলেও নিজের ভূমিকা নিয়ে কিছুই বলেননি তিনি। উল্টো হোয়াইট হাউজের আলোচনায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের সঙ্গে তাঁর তুলনা করায় কর্মকর্তাদের সাবধান করে দিয়েছেন ট্রাম্প- এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। ‘পরবর্তী কোন সভায় নিক্সনের নামও শুনতে চান না ট্রাম্প’, এমনটাই সতর্ক করা হয়েছে সবাইকে।
সিএনএন’র ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্পের অফিস ছাড়ার চিত্র সব জায়গাতেই দেখা যাচ্ছে। তার বাসভবন- হোয়াইট হাউসের আঙিনায় কর্মীরা ‘বাইডেন-হ্যারিস ইনোগারেশন’ ব্যানার ঝুলিয়েছেন। তিনতলা ভবনের ভেতর থেকেও তা দেখা যাচ্ছে। ভবনের ভেতরে বসে ট্রাম্প দেখেছেন তার দ্বিতীয় অভিশংসনও। এ সবই যেন তার ধীরে ধীরে একা হয়ে পড়ার দৃশ্য।
ঘনিষ্ঠজনদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ট্রাম্প যখন আর প্রেসিডেন্ট থাকবেন না তখন তিনি কী ধরনের আইনি ও আর্থিক ঝামেলায় পড়তে পারেন- তাই এখন তার সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয়। আইনজীবী ও পরমর্শকরা এ বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্পকে বার বার সতর্ক করছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন দুঃসময়ে রিপাবলিকান দলের হাউজ ও সিনেট সদস্যরাও তাকে ত্যাগ করেছেন বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে। সহযোগীরা ট্রাম্পকে বিদায় ভাষণ দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন, সরাসরি অথবা রেকর্ড করা। তবে এতেও তিনি আগ্রহ দেখাননি এবং এ নিয়ে কোনো মন্তব্যও করেননি। গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের পরিবর্তে মাইক পেন্স ক্যাপিটল ভবনের প্রহরিদের ও হোয়াইট হাউসের পরিচারিকাদের বিদায় জানিয়েছেন। অথচ নিয়ম অনুযায়ী এ কাজ প্রেসিডেন্টের করার কথা ছিল।
৬ জানুয়ারি কংগ্রেসে নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জয়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি অনুষ্ঠান শুরু হলে, ট্রাম্পের একদল উগ্র সমর্থক ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালায়। এ ঘটনায় ক্যাপিটল পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার জের ধরে গত বুধবার কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে (প্রতিনিধি পরিষদ) ২৩২-১৯৭ ভোটে ট্রাম্পকে অভিশংসনের প্রস্তাব পাস হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি ১০ জন রিপাবলিকানও ট্রাম্পকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে ভোট দেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট দুই বার অভিশংসিত হলেন। ডেমোক্রেটরা চান দ্রুতই যেন সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসন নিয়ে ট্রায়াল হোক। তবে, এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন সিনেটের রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল। তিনি জানান, ১৯ জানুয়ারির আগে ট্রায়াল শুরু করা যাবে না। এর অর্থ হলো ২০ জানুয়ারি ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে অফিস ছাড়ার পরই ট্রায়াল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ক্ষমতায় আসার পরপরই অভিশংসনের ট্রায়াল শুরু হলে তা নতুন প্রেসিডেন্টের কংগ্রেসনাল এজেন্ডাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে কি না, জানতে চাইলে বাইডেন বলেন, ‘আমরা কি সিনেটে অর্ধেক সময় অভিশংসন নিয়ে ও বাকি অর্ধেক সময় অন্যান্য কাজ চালিয়ে যেতে পারি না?’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি সিনেটের নেতারা অভিশংসনের বিষয়ে তাদের সাংবিধানিক দাযিত্ব পালনের জন্য একটি উপায় খুঁজে নেবেন। পাশাপাশি জাতির অন্যান্য জরুরি বিষয়েও কাজ করবেন।’ আর সিনেটেও ট্রাম্প অভিশংসিত হলে তিনি পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
এমন অবস্থায় অভিশংসন পরবর্তী সিনেটরদের আনা অভিযোগের তদন্ত শুরুর আগে নেতাকর্মীদের আইনি লড়াইয়ে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। ৬ জানুয়ারির ঘটনায় পার্লামেন্ট প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সমালোচনা করায় নিম্নকক্ষের রিপাবলিকান নেতা কেভিন ম্যাকার্থির ওপরেও ক্ষোভ ঝাড়েন ট্রাম্প। অভিশংসন এড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারায় নিজের আইনজীবী রুডি জুলিয়ানির ওপরেও চটেছেন তিনি। এমনকি তাঁর বেতন বন্ধ করে দেয়ারও হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে, রীতি অনুযায়ী হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে জো বাইডেন ও তার স্ত্রী জিল বাইডেনকে চা চক্রে আমন্ত্রণ জানানোর প্রটোকলও ভাংতে যাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে শপথ নেওয়ার আর মাত্র পাঁচদিন আগে বিদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স নতুন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে শুক্রবার টেলিফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনের দুই মাসেরও বেশি সময় পর কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পেন্স এবং তাকে সহায়তারও আশ্বাস দিয়েছেন।
এক্ষেত্রে একটা বিষয় অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলার পরবর্তী পাঁচ দিনে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স’র সাথে প্রেসিডেন্টের আক্ষরিক অর্থেই কোনোও কথা হয়নি। অথচ এই পেন্স ট্রাম্পের নারী কেলেংকারী, নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ, ইউএস-মেক্সিকো বর্ডার সমস্যা, ইমিগ্রেশন পলিসি- ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই প্রেসিডেন্টকে কার্যত অন্ধভাবেই সমর্থন দিয়েছেন। তবে ৬ জানুয়ারি ‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনকে সার্টিফাই না করার’ ট্রাম্পের অনুরোধটি না রাখাই তার কাল হয়েছে কলে মন্তব্য করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
তারপরও পেন্স ডেমেক্র্যাটদের ‘২৫ তম’ সংশোধনী মতে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করতে রাজি না হয়ে একইসাথে ট্রাম্প ও গণতন্ত্রের প্রতি তার সমর্থন ধরে রেখে প্রশংসিত হয়েছেন। জিতিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ক্ষুধাকে।
[সহায়তা : সিএনএন, ওয়াশিংটন পোস্ট]

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 4750 People

সম্পর্কিত পোস্ট