চট্টগ্রাম শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২১

৫ জানুয়ারি, ২০২১ | ১:৫১ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

করোনার মৃত্যুঝুঁকি ৮০ ভাগ কমাবে ‘আইভারমেকটিন’

পরজীবী বিরোধী ওষুধ আইভারমেকটিন করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মৃত্যুঝুঁকি শতকরা ৮০ ভাগ কমিয়ে আনতে পারে। একইসাথে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি একটি শক্তিশালী অস্ত্র হতে পারে এমনটিই দাবি বিশেষজ্ঞদের। খবর দ্য টাইমস’র।

তাদের মতে, আইভারমেকটিন ওষুধটির দাম মাত্র এক পাউন্ড। পূর্ণাঙ্গ কোর্সে এই ওষুধটির পিছনে খরচ পড়তে পারে এক থেকে দুই ডলার।

বিজ্ঞাপন

একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, আইভারমেকটিন একটি এন্টিপ্যারাসাইট বা পরজীবী বিরোধী ওষুধ। মাথার উকুন ও চুলকানি/পাচড়ার চিকিৎসায় সাধারণত এটি ব্যবহার করা হয়। এন্টিভাইরাল ওষুধ হিসেবে প্রতিশ্রুতিশীল একটি চিকিৎসা হতে পারে এটি।

মূলতঃ আইভারমেকটিন ওষুধটি ত্বকের ওপরে ব্যবহার করতে হয়। বিশেষ করে ত্বকের সংক্রমিত স্থানে লাগালে এ থেকে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে। এই ওষুধটি মূল্যায়ন করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে কমিশন গঠন করা হয়। তাতে লিভারপুল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এনড্রু হিল দায়িত্ব পালন করছেন। এরপর পরীক্ষায় রোগীদের ওপর একের পর এক আইভারমেকটিন প্রয়োগ করা হয়। তারা কমপক্ষে এক হাজার রোগীর ওপর ১১ বার এই পরীক্ষা চালিয়েছেন। উন্নয়নশীল বিশ্বের দেশগুলোতেই বেশিরভাগ পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে সাধারণ সময়ের অর্ধেক সময়ে আক্রান্ত রোগীরা করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এক্ষেত্রে দু’সপ্তাহের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষ সুস্থ হয়েছেন।

পরীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া রোগীদের তুলনায় এই ওষুধটি শতকরা ৮০ ভাগ মৃত্যুঝুঁকি কমায়। পরীক্ষার বিশ্লেষণ এই মাসের শেষের দিকে প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মাথার উকুনের এই ওষুধকে কিছু বিশেষজ্ঞ প্রতিশ্রুতিশীল বললেও অন্যরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর পিটার হারবি বলেছেন, এখনও মাথার উকুনের এই ওষুধটির কার্যকারিতা ‘পিয়ার’রা রিভিউ করেননি। দ্য টাইমসকে তিনি জানান, প্রদত্ত তথ্যগুলো আগ্রহোদ্দীপক ও সম্ভবত উৎসাহ সৃষ্টিকারী। তবে এ ওষুধ নিয়ে এখনও আশ্বস্ত হওয়া যাচ্ছে না।

পূর্বকোণ/আরপি

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 777 People

মন্তব্য দিন :

সম্পর্কিত পোস্ট