চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ | ১২:৩২ পূর্বাহ্ন

আবদুল মুহিদ

ড়, ঢ়, য়- বর্ণ তিনটির একক স্বীকৃতি দিতে সম্মত আইকান

অনলাইনে নোকতামুক্ত হচ্ছে বাংলা ভাষা!

অনলাইনে বাংলা ভাষা থেকে অবশেষে নোকতা অপসারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনটি বর্ণকে
(ড়, ঢ়, য়) একক বর্ণ হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হচ্ছে।

গত ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আইকানের সঙ্গে বাংলা কমিউনিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আইকান (ইন্টারনেটের ডোমেইন ঠিকানা বরাদ্দকারী সংস্থা ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইনড নেমস অ্যান্ড নাম্বারস) বাংলাদেশর প্রস্তাব ‘একসেপ্ট’ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এই সমস্যা দূর হলে যেকোনও বাংলা বর্ণমালা দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা যাবে এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট অনলাইনে বাংলায় লিখে খুঁজে পাওয়া যাবে। বর্তমানে ডট বাংলা ডোমেইনে ড়, ঢ় ও য়- এই তিনটি বর্ণ দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় না।
জানা গেছে, পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হবে আগামী বছরের মার্চ মাসে।

অনলাইন বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলা কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির তত্ত্বাবধানে আইকানের সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সরকারের আইসিটি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়াউদ্দিন, বিটিআরসি’র ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাহ্ফুজুল করিম মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) পরামর্শক মামুন অর রশীদ, বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের মহাসচিব মোহাম্মাদ আব্দুল হক অনু এবং ভাষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও প্রফেশনালস সিস্টেমসের প্রধান নির্বাহী হাসিব রহমান।

আইকান আমাদের প্রস্তাব একসেপ্ট করেছে। এখন বিষয়টি আইপিতে (ইন্টারনেট প্রটোকল) যাবে। সেখানে ভেরিফাই হয়ে পাবলিক কমেন্টসের জন্য যাবে। সেখানে সব ঠিক থাকলে মার্চ মাস নাগাদ বাংলা ভাষা থেকে নোকতা অপসারণ হবে। তিনি জানান, আইকান বাংলাদেশের এই প্রস্তাবের বিষয়ে খুবই ইতিবাচক।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, কাজের জন্য সরকারের তহবিল বরাদ্দ দেওয়া উচিত। স্বেচ্ছাসেবী হয়ে কোনও কাজকে খুব বেশিদূর এগিয়ে নেওয়া যায় না। তহবিল বরাদ্দ দিয়ে বিষয়টি নিয়ে একটি সেল খোলা যেতে পারে। সেখানে গবেষণার কাজও থাকতে পারে। ফলে বিষয়টি একটা গতি পাবে। তারা জানান, সরকারও বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক। তবে পৃথক কোনও সেল না থাকায় কাজে খুব বেশি গতি আসছে না।

জানা যায়, বাংলাদেশের লড়াইটা ছিল টপ লেভেল কান্ট্রি ডোমেইন নিয়ে। সেটা চূড়ান্ত। এটা শেষ হলে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইনের প্রতি বিশেষ নজর দেয়া হবে।

The Post Viewed By: 169 People

সম্পর্কিত পোস্ট