চট্টগ্রাম রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১

সর্বশেষ:

২৬ ডিসেম্বর, ২০২০ | ৩:১৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক 

অসুখ-বিসুখের মহাওষুধ চিরতা

চিরতার শেকড় তেতো হলেও এর ফল মিষ্টি। কালমেঘ গাছের পাতাকেই মানুষ চিরতা নামে চিনে। এই গাছের পাতা শুকিয়ে পানির সঙ্গে ভিজিয়ে সেই পানি পান করলে পাওয়া যাবে অসংখ্য উপকার। টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর অনেকের আবারও প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। এমন মানুষদের জন্য চিরতার রস খুব বেশি উপকারি। চিরতা নানা রকম সংক্রামক অসুখ-বিসুখের হাত থেকে রক্ষা করে। কারণ এতে রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, অতি ওজনবিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা পাতার জুড়ি নেই। ইউনানি চিকিৎসা অনুযায়ী চিরতা হৃৎপিন্ড ও যকৃতের সবলকারক, চোখের জ্যোতিবর্ধক ও জ্বর রোগে বিশেষ উপকারি। চিরতা খেলে যেকোনো কাটা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা দারণ একটি ওষুধি পাতা।

চিরতার রস দ্রুত রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটির রস কৃমিনাশক। তারুণ্য ধরে রাখতেও এটির গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত তিতা বা চিরতার রস খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। সপ্তাহে তিনবার এটির পানি মাথায় দিলে চুল ঝরা বন্ধ হয়ে যাবে। গর্ভাবস্থায় কিংবা কোনো অসুখ-বিসুখে ক্রমাগত বমি হতে থাকলে গুঁড়ো করে এক গ্লাস পানির সঙ্গে একটু চিনি মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়ে যায়। ত্বকে এলার্জি, খোসপাঁচড়া কিংবা কোনো ঘা হলে পরিমাণ মতো চিরতা সরিষার তেল দিয়ে ভেজে নিয়ে চুলকানির জায়গায় লাগিয়ে দিলে দূর হয়ে যায়।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 1398 People

সম্পর্কিত পোস্ট