চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১

২০ ডিসেম্বর, ২০২০ | ৬:০১ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় শীতকালীন স্বাস্থ্যসচেতনতা

ভালো থাকতে চাইলে সাধারণ কিছু স্বাস্থ্যসতর্কতা অবলম্বনের সঙ্গে সঙ্গে  করোনাকালীন এ সময়ে বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

করোনা থেকে বাঁচুন : করোনার সময় বয়স্ক ব্যক্তি এবং যারা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হার্ট, শ্বাসতন্ত্র, কিডনি বা লিভারের রোগ, স্ট্রোক বা অন্যান্য জটিল দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত তারা সবচেয়ে ঝুঁকিতে। এদের প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে বাইরে না যেতে দেওয়াই ভালো। পরিবারের বাকিদের তাদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে হতে হবে সর্বোচ্চ সতর্ক।

ঠাণ্ডা যেন না লাগে : এ সময়টাতে খুব সহজেই ঠাণ্ডা লেগে যায়। তাই শীত উপযোগী কাপড় পরিধান করতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ ঠাণ্ডা লাগার সম্ভাবনা বেশি থাকে, সেজন্য সকাল-সন্ধ্যায় কানটুপি, মোজা এবং গলায় মাফলার ব্যবহার করা উচিত। ঘরের বাইরে এবং ভিতরে আলাদা জুতা/স্যান্ডেল ব্যবহার করা ভালো। প্রয়োজনে রুম হিটার ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে লম্বা সময় ধরে রুম হিটার ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। সম্ভব হলে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ঘর থেকে বাইরে বের না করাই উত্তম।

সাধারণ সর্দি-কাশি বা কমন কোল্ড থেকে মুক্ত থাকুন : ঋতু পরিবর্তনের সময় বিশেষ করে শীতের শুরুতে তাপমাত্রা পরিবর্তনের সময় এর প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি। প্রায়ই দেখা যায় দু-তিন দিন নাক বন্ধ থাকে বা নাক দিয়ে পানি ঝরে। গলা ব্যথা করে, শুকনো কাশি থাকে, জ্বরও থাকতে পারে। এর বেশিরভাগই ভাইরাসজনিত এবং অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াই ভালো হয়ে যায়।

ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচুন : ভাইরাস মানেই যে করোনাভাইরাস তা তো নয়, স্বাভাবিকভাবে শীতে জ্বর, সর্দি-কাশিসহ নানা ধরনের ভাইরাসজনিত রোগের বিস্তার ঘটে। হাঁচি-কাশি ও সংস্পর্শের মাধ্যমে ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনের শরীরে বিস্তার ঘটে। তাই নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস করা উচিত।

এজমা বা শ্বাসকষ্টের রোগীদের প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা : শীত জেঁকে বসার আগেই হাঁপানির রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শমতো প্রতিরোধমূলক ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন। অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের প্রকোপ এ সময় বাড়ে বলে রোগীদের খুব ঠা-া আবহাওয়ায় বাইরে না যাওয়াই উত্তম। শিশুদের অ্যাজমা প্রতিরোধে অবশ্যই ধুলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। আবাসস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং ঘরের দরজা-জানালা সব সময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোনো কারণে অ্যাজমা পরিস্থিতির অবনতি হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 120 People

সম্পর্কিত পোস্ট