চট্টগ্রাম শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২০

১৪ জানুয়ারী, ২০২০ | ১:০৬ অপরাহ্ন

অনলাইন ডেস্ক

আবারও বড় পতনের আশঙ্কা শেয়ারবাজারে

টানা দরপতনে অস্থির পুঁজিবাজার। কমছে সূচক। প্রতিদিন লেনদেন শুরুর আগে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কে থাকেন এদিন কতটা পতন হতে পারে সেটি। সোমবার একজন বীমা কর্মকর্তার ‘মৃত্যু’র পর এ আতঙ্ক আরও বেড়ে গেছে। পুঁজিবাজারে ব্যাপক পতনের কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে রটে গেছে। এর প্রভাবে আজ মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হওয়ার পরপরই বাজারের অবস্থা হয়ে উঠে চরম নাজুক। শুরুতেই লাগে বড় পতনের ধাক্কা।

পতন ঠেকাতে সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরুর আগ থেকে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেশের বড় ব্রোকারেজ হাউস এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নিজেদের বা গ্রাহকের হয়ে শেয়ার বিক্রি বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন। ব্রোকারেজ হাউসগুলো সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন নির্দেশেও কোনো কাজ হয়নি।

এ অবস্থায় আর প্রথম আধা ঘন্টাতেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫০ পয়েন্ট বা প্রায় সোয়া ১ শতাংশের মতো কম যায়। আর বেলা সোয়া ১১টায় সূচক কমে ৬৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

আজকের আগে চলতি জানুয়ারি মাসের ৯ কর্মদিবসে ডিএসইএক্স কমেছে প্রায় ৩৩০ পয়েন্ট বা সাড়ে ৮ শতাংশ। আর গত দুই মাসে তা ৬১৪ পয়েন্ট বা প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে।

টানা দরপতনের প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রণালয় একাধিকবার স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। অর্থমন্ত্রণালয়েও এ বিষয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না, থামছে না পতন। বরং প্রতিটি বৈঠকের সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরও বেশি হতাশা ছড়িয়েছে, দরপতন আরও তীব্র হয়েছে।

এদিকে টানা দর পতনের প্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ধরেই পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এই দাবি আরও তীব্র হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতিতে এ অবস্থায় লেনদেনের শেষ পর্যন্ত পতন কোথায় গিয়ে ঠেকে তা নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের মত ফের মহাধসের আশঙ্কা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

পূর্বকোণ/পিআর 

The Post Viewed By: 99 People

সম্পর্কিত পোস্ট