চট্টগ্রাম বুধবার, ০৪ আগস্ট, ২০২১

সর্বশেষ:

১৯ জুন, ২০২১ | ১১:০৫ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

সাদা সোনা উৎপাদনে সফলতা

সাদা সোনা নামে খ্যাত গলদা চিংড়ি উৎপাদন করে সফলতা অর্জন করেছে দেশের উত্তর জনপদের দিনাজপুরের পার্বতীপুর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার। সফলতার কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ায় পরামর্শ নিতে প্রতিনিয়তই আসছেন মৎস্য খামারীরা।

জানা গেছে, পার্বতীপুর উপজেলার ৫০ একর জমির উপর অবস্থিত মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটি। নিবির পর্যবেক্ষণে এখানে প্রতিনিয়ত উৎপাদন করা হচ্ছে গলদা চিংড়ি। উৎপাদিত চিংড়ি দিয়ে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

২০০০ সালের ২৭ অক্টোবর সাবেক মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রী আ স ম আব্দুর রব প্রকল্প কমপ্লেক্সে গলদা হ্যাচারি উদ্বোধনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে গলদা চিংড়ি চাষের সম্ভাবনাকে অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। শুরুতে এটা ছিল পরীক্ষামূলক।

স্থানীয়দের মতে, সরকারের এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকলেও এখন তা পিকনিক স্পটের মতো সুসজ্জিত হয়েছে। খামারের অবস্থান মহাসড়ের পাশে হওয়ায় যাত্রাপথে অনেকে থেমে এক নজর দেখে যান। পরিদর্শনের জন্য অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসেন এখানে।

উত্তর পশ্চিম মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক মো. মুসা কালিমুল্লা বলেন, এক সময় এমন ধারণা করা হয়েছিল যে, এই অঞ্চলের মাটি ও পানি চিংড়ি চাষের উপযুক্ত নয়। চিংড়ির জন্য অধিক খারত্বযুক্ত মাটি ও পানি বেশি উপযোগী। কিন্তু এই অঞ্চল চিংড়ি চাষের জন্য একেবারে অযোগ্য এ কথা মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষায় ভূল প্রমানিত হয়েছে এবং প্রমানিত হয়েছে যে, এই অঞ্চলে চিংড়ি চাষ সম্ভব।

পূর্বকোণ/মামুন/পারভেজ

শেয়ার করুন
  • 3
    Shares
The Post Viewed By: 582 People

সম্পর্কিত পোস্ট