চট্টগ্রাম রবিবার, ০৯ মে, ২০২১

১৪ জানুয়ারি, ২০২১ | ১:০৮ অপরাহ্ণ

সারোয়ার আহমদ 

পাঁচ বছরে নিলাম থেকে আয় ২৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা

চট্টগ্রাম বন্দরে অখালাসকৃত পণ্য নিলাম প্রক্রিয়ায় বিক্রি করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস গত পাঁচ বছরে আয় করেছে ২৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকার বেশি। এই পাঁচ বছরে বন্দরে বাজেয়াপ্ত পণ্যগুলো নিয়ে নিলাম হয়েছে ৬৪টি। যার মধ্যে ১০ হাজার ১৬০ লট পণ্য ছিল। ওই পণ্য নিলামে বিক্রি করে ২৬৫ কোটি ৬১ লাখ ২৬ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা দেশের সিংহভাগ রাজস্ব আদায়কারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস এই আয় করে ।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের নিলাম শাখার তথ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালে নিলাম হয়েছে ৯টি। যার মোট ২ হাজার ৩৮৩ লটের পণ্য বিক্রির মাধ্যমে আয় হয় ২৬ কোটি ৭০ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। এরপর ২০১৭ সালে ১১টি নিলামে ১ হাজার ৮৮৫ লট পণ্য নিলামে বিক্রি করে আয় হয় ৩৫ কোটি ১৬ লাখ ৫ হাজার ৮৪ টাকা। পরবর্তী বছর ২০১৮ সালে ২০টি নিলামে পণ্য উঠে ২ হাজার ২৪৫ টি লটে। ওই বছর আয় হয় ৬৭ কোটি ৮৯ লাখ ২৬ হাজার ৭৯ টাকা। এরপর ২০১৯ সালে নিলাম সংখ্যা কম হলেও আয় হয় অনেক আগের তুলনায় বেশি। ওই বছর ১১ টি নিলামে ১ হাজার ৯৮৫টি লটে পণ্য বিক্রি করে আয় হয় ৭০ কোটি ৫৪ লাখ ৫৫ হাজার ৭৬ টাকা। সর্বশেষ গত বছর করোনার মধ্যেও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজে নিলাম হয় ১৩টি।

যার ১ হাজার ৬৬২টি লটের পণ্য বিক্রি করে আয় হয় ৬৫ কোটি ৩০ লাখ ৪৪ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে গত ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম কাস্টমস আয় করে ২৬৫ কোটি ৬১ লাখ ২৬ হাজার ৫২৪ টাকা।

নিলামে রাজস্ব আয় প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ কমিশনার ফখরুল আলম পূর্বকোণকে বলেন, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজে নিলাম কাজের মহাযজ্ঞ চলছে। এতো পরিমাণে কাজ কাস্টমসের ইতিহাসে হয়নি। বর্তমানে শনিবারেও কাস্টমসে বিভিন্ন শাখার ৩০ থেকে ৩৫ জন কর্মকর্তাকে নিয়ে ৬ থেকে ৮টি গ্রুপে ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিলামযোগ্য পণ্যে ইনভেন্ট্রি তৈরি করা হচ্ছে। যার ফরে প্রতিনিয়ত নিলামে লটের সংখ্যা বাড়ছে। নিলামে পণ্য বিক্রির পরিমাণ বেড়ে গিয়ে রাজস্বও বেশি আয় হচ্ছে। এতে বন্দরের অভ্যন্তরে পড়ে থাকা কনটেইনারে দখলকৃত জায়গা মুক্ত হচ্ছে। এর বাইরে বহু বছর পড়ে থাকা অকশন গোলাটিও খালি হচ্ছে।’

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 344 People

সম্পর্কিত পোস্ট