চট্টগ্রাম সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

৩ জুন, ২০১৯ | ১:৪৩ এএম

ড. মোহীত উল আলম

ঈদ সবার, যদিও কিছু কিন্তু থেকে যায়

“রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ।” জাতীয় কবির এ পঙ্ক্তিটি ঈদ উৎসবের জন্য সর্বকালে প্রযোজ্য। রমজানের ২৯ বা ৩০ দিন শেষ হলে শাওয়াল মাসের প্রথম দিন থেকে তিন দিন ঈদ পালিত হয়। তবে শুধুমাত্র ঈদের প্রথম দিন রোজা রাখা নিষেধ আছে। যদিও ঈদ একটি পবিত্র ধর্মীয় পরব, কিন্তু ঈদের উৎসবের আমেজ বরঞ্চ সামাজিক, আর এর বাস্তবায়নটা অর্থনৈতিক। ঈদের মাহাত্ম্য লুকিয়ে আছে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোয়, ভালোবাসার প্রকাশে, ক্ষমাপ্রদর্শনে ও পরার্থপরতায়, যেগুলি অবশ্য ঈদ উৎসব পালনের সময় আমাদের কখনো মনে থাকে না।
ঈদের উৎসবের সঙ্গে চাঁদ দেখার আনন্দও জুড়ে থাকে। আজকাল অবশ্য স্যাটেলাইটের কারণে মানুষ ঘরে বসে টিভিতে চাঁদ দেখার কথা শোনে, কিন্তু ছাদের উপরে উঠে চাঁদ দেখতে আগ্রহী থাকে না। ‘চাঁন রাতে’ ঘরে ঘরে পুরুষের চেয়েও মহিলাদের ব্যস্ততা থাকে বেশি। আর শিশুরা তাদের মায়ের ঈদের খাবারের আয়োজন প্রলুব্ধ নয়নে দেখতে দেখতে এক সময় ঘুমে ঢলে পড়ে। কবি জসীমউদ্দীনের “আমার মা” শীর্ষক একটি গদ্য লেখায় চান রাতে মায়ের পিঠা বানানোর মনোহর বর্ণনা আছে।
তবে বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে দু’টো ব্যাপার ঈদ আনন্দকে মাটি করে দিচ্ছে। একটি হলো, সমাজে ধনী-দরিদ্রের ক্রম বর্ধমান ব্যবধান, আরেকটি হচ্ছে ভেজালের মহামারী।
যদিও বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশগুলির অগ্রভাগে আছে কিন্তু একটা কথা অর্থনীতিবিদেরা ক্রমশ বলে যাচ্ছেন যে, উন্নয়নশীলতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধানও বেড়ে যাচ্ছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেছেন, মোট অর্জিত উপার্জনের শতকরা ৯৫ ভাগ নাকি মুষ্টিমেয় ধনপতিদের হাতে চলে যাচ্ছে। সম্প্রতি “চর্যাপদ” নিয়ে লেখাপড়া করতে গিয়ে সৈয়দ আলী আহসানের একটি লেখা থেকে জানলাম চর্যাপদর্কতারা সমাজের দুঃখ-দারিদ্র নিয়ে উপদ্রুত লোক-জীবনকে অবলম্বন করে তাঁদের বোধিচিত্ত বা নৈরাত্মাকে গীতিপদগুলির মাধ্যমে উন্মীলিত করেন। সে অর্থে বলতে হয় আভিজাত্যে ও অর্থনৈতিকভাবে উচ্চবর্গীয় কিন্তু অনুৎপাদনশীল ব্রাহ্মণ শ্রেণির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হলো চর্যাগীতির প্রেক্ষাপট। সেরকম আমাদের সমাজে যদি অর্থনৈতিক ব্রাক্ষণ্যবাদ তৈরি হয়, তাহলে শুধু ঈদের দিনে যে ধনী-দরিদ্র ফারাক বোঝা যাবে তা নয়, সারা সমাজে অন্য সময়েও তার অভিঘাত বোঝা যাবে।
আর ভেজালের কথায় আসলে বলতে হয় যত ডিজিটাল হয়ে যাচ্ছি আমরা তত গোপন জিনিষগুলো বের হয়ে আসছে। রোজার মাসে কী একটা শুরু হয় আর সরকারের বিভিন্ন যাচাইকারী সংস্থা মাঠে নেমে পড়ে আর বের করতে থাকে একের পর এক গোপন রহস্য। গোপনীয়তা প্রকাশ হয়ে গেলে তো আর আনন্দ থাকে না। একটা কথা আছে না যে খাদ্য আমরা মুখরোচক হিসেবে গ্রহণ, তার প্রস্তুতিপর্ব হেঁশেলে দেখলে ঐ খাদ্য খেতে আর ইচ্ছা করবে না। তাহলে ইঙ্গিতটা হচ্ছে বেশি খোঁচানো যাবে না। ‘ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়’ হয়ে যাবে।
তারপরও ভেজালের আলোচনা প্রথমে জিলাপী দিয়ে শুরু করি। কারণ বাঙালির মন নাকি জিলাপীর প্যাঁচে ভরা। “মুখগ্রন্থ”তে দেখলাম আমার এক সহাস্য সদা প্রাণ কবিবন্ধু একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। চট্টগ্রামের একটি চালু মিষ্টির দোকান তাদের জিলাপীর অপূর্ব স্বাদের জন্য বিখ্যাত। বন্ধুবর প্রশ্ন তুলেছেন, যেখানে গরম জিলাপীর ধর্ম হলো কেনার পরদিনই সেটা ‘ফোতা’ (নরম) হয়ে যাবে, সেখানে ঐ মিষ্টির দোকানের জিলাপী নাকি এক সপ্তাহ পর্যন্ত মুচমুচে কুড়মুড় থাকে। কীভাবে সম্ভব? মুখগন্ধে যা হয়, আমের আঁটিতে মাছি বসার মতো অবস্থা। এন্তার লাইক এবং মন্তব্য আসলো। মোটামুটি সবাই বলল যে দোকানদার নিশ্চয় কেমিক্যাল দিচ্ছেন, যেটি মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক।
এর চেয়েও জাতীয়ভাবে পরিচিত একটি বিখ্যাত মিষ্টির দোকানের কারখানার সজীবন্ত প্রতিবেদন অন এয়ার করল একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেল। দেখা গেল এলুমিনিয়ামের গামলাতে রাখা রসগোল্লায় তেলাপোকা, জীবন্তুগুলি সাঁতরাচ্ছে আর মৃতগুলো শুকনো কাটা খেজুরের চিলতার মতো ভাসছে। পানতোয়া, সন্দেশ, মিহিদানা, রাজভোগ সব ধরনের রসোত্তেজক মিষ্টিতেই অবশ্যম্ভাবী তেলাপোকার বসতবাটি। পুরো দোকানটার মেঝেতে, পাত্রে, যেখানে খামির তৈরি হয় সেখানে, কাঠের ফার্নিচারের দরজার চিপায়, সিমেন্টের তাকের নিচে পিঁপড়ের মতো পিলপিল করছে তেলাপোকা। এটা একটা আশ্চর্য ব্যাপার। নোঙরা পরিবেশ যে কতটুকু নোঙরা হতে পারে ঐ ভিডিও চিত্রটি না দেখলে বিশ্বাস হতো না। এর সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ আদালত থেকে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫২টি দ্রব্যকে বিপজ্জনক ভেজাল মিশ্রিত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। অধিকাংশই খাদ্যদ্রব্য। কিন্তু পিলে চমকানোর মতো ব্যাপার হলো, বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যবসা সফল একটি কোম্পানির বিভিন্ন ভোজ্যদ্রব্য ঐ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অথচ ঐ কোম্পানিরই প্রস্তুতকৃত একটি দ্রব্যের কারখানায় সম্পূর্ণ আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে শতকরা একশত ভাগ স্বাস্থ্য-নিরাপত্তামূলক সরঞ্জামাদি ও উপকরণ ব্যবহার করে প্রস্তুতিকরণ প্রক্রিয়া একটি সজীবন্ত বিজ্ঞাপন চিত্র দেখানো হয়, যেটি দেখে কারুরই মনে হবে না যে এটি বাংলাদেশের একটি কারখানা এবং উদ্দিষ্ট পণ্যটি এখানে তৈরি হয়। অথচ সে কোম্পানিটিরই প্রস্তুতকৃত পণ্যটিতে ভেজাল পাওয়া যাওয়াই সে কোম্পানিটির ব্যবসায়িক সততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ন্যায়বাদীরা বলেন, ‘ব্যবসায়িক সততা’ শব্দনিচয় সম্ভবত পরস্পর-বিরোধী। সততা আর ব্যবসা এক সঙ্গে যায় না। কিন্তু এটা বলে ফেললে তো হবে না, ব্যবসায়ী আর উৎপাদনকারীরা তা মানলেই তো। খাবারের টেবিলে আসছে, সবগুলিতেই ভেজাল। দুষ্টলোকেরা বলে, দেশের এমন অবস্থা হয়েছে, ভেজালেও ভেজাল দেয়া হচ্ছে।
গরুর দুধ রোজ করি গ্রামের এক দুধওয়ালার কাছ থেকে। পানি মিশিয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করলে দাঁত বের করে এমন সরল হাসে, যেন এরকম কথা সে জীবনে শোনেনি। বলল, তার আটাশটা দুধওয়ালা গাভী আছে, পানি দিলে তার এত বড় ব্যবসা হতো না। ভরসা হলো না। কারণ, যত বড় ব্যবসায়ী তার তত বড় ঠকানি চলছে। এখন শুনছি গাভীর পিটুইটারি গ্ল্যান্ডে নাকি হরমোন ইনজেকশন বিঁধে দেওয়া হচ্ছে, ফলে গাভীর বাঁটে অস্বাভাবিক রকম দুধের সঞ্চার হচ্ছে। পিটুইটারি গ্ল্যান্ড হচ্ছে মগজের পেছনের দিকের একটি ছোট্ট কোষ যেটি দুধ, বীর্য, পেশী ইত্যাদির বলবর্ধক। কিন্তু এটির অস্বাভাবিক রস নিঃসরণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। গরুরও, মানুষেরও।
ভেজালের সংস্কৃতি কিন্তু আলাদা কোন দ্বীপের মতো তৈরি হয় না। আঙুলের আগায় একটি ফোঁড়া হয়েছে এটা সে রকম নয়। জন্ডিস হলে যেমন সারা শরীর সেটা বহন করে ভেজাল জিনিষটা সেরকম। এটা সারা শরীরেই পচন ধরায়। আর যখন বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে যে ত্রিভুবনেই ভেজাল তখন ধরে নিতে হবে যে, চর্যাপদের পদকর্তারা যেমন বলেছেন, মানুষের শরীরে চৌষট্টিটি সংযোগ আছে, সেরকম সব সংযোগই ভেজাল ঢুকে গেছে।
একটা উদাহরণ দিই। জাপান দেশটাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ট্রাম্পের দেশ আনবিক বোমা মেরে শেষ করে দিয়েছিলো। সে জাপান উঠে দাঁড়ালো। ওদের ওখানে দুর্নীতি হলেই প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এত ঘনঘন হতো যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিনজোআবে আসার আগে পর্যন্ত শুরুর দিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম যেমন খেলতো, ব্যাটসম্যানদের শুধু আসা-যাওয়া, সেরকমরেই ছিলো জাপানের প্রধানমন্ত্রীদের আসা-যাওয়া। আমার যত বন্ধু-বান্ধব আত্মীয় স্বজন জাপান ঘুরে এসেছে তারা সবাই বলেছে জাপানীদের শ্রমাভ্যাস ও সততাভ্যাস অননুকরণীয়। সে জাপানের কতিপয় নির্মাণপ্রতিষ্ঠান, এবার যখন বাংলাদেশে রোজার মাসে সর্বত্র রব উঠল ভেজাল-ভেজাল বলে, সেরকমের একটা পরিপ্রেক্ষিতের বিপরীতে, তারা ঘোষণা দিল যে নতুন গোমতী ও মেঘনা সেতু (যে দু’টো সেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ২৫ মে শুভ উদ্বোধন করেছেন) বানাতে তাদের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আট মাস সময় কম লেগেছে, এবং শুধু তাই নয়, নির্মাণ বাবদ খরচ প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে ৮০০ কোটি টাকা কম হয়েছে। অর্থাৎ এক অর্থে যে বাংলাদেশের যে আটশ কোটি টাকা আমেরিকাস্থ রিজার্ভ ফান্ড থেকে ফিলিপাইনে হাওয়া হয়ে গিয়েছিলো, সে আটশ কোটি টাকা প্রকারান্তরে ফেরত আসলো। আর সেতু দুইটির উপকার এর মধ্যে দেশবাসী পেতে শুরু করেছে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা মাত্র দেড় ঘণ্টায়, আর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম সাড়ে চার ঘণ্টায় আসা যাওয়া করছে যাত্রীরা এরকম খবর আসছে।
জাপানীদের এই জাতীয় চরিত্র বাংলাদেশীদের কোনদিন হবে না সেটা বলা যাবে না, কিন্তু সেরকম কিছু হতে গেলে তার প্রস্তুতি কই, তার সড়ক মানচিত্র কই?
গৌতমবুদ্ধের দর্শনে এ কথাটি স্থান পেয়েছে যে মানুষের দুঃখ আসে লোভ থেকে। ভেজাল হচ্ছে লোভের একটি অনবরুদ্ধ প্রকাশ। ক্ষমতার লোভ, খ্যাতির লোভ, সনদের জন্য লোভ, প্রেমের লোভ, কাম-লোভ, এবং অর্থের প্রতি লোভ হলেই ভেজাল ঢুকবে।
জাপানসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও যে ভেজাল নেই এই কথা বলা যাবে না, কিন্তু মাত্রার ভেদ আছে। পৃথিবী যেহেতু স্বর্গ নয়, মানুষ যেহেতু দেবতা নয়, ডাল মে কুচকালা হোগা, কিন্তু আমাদের দেশে গণ হারে ভেজাল চলছে, এবং ঈদের আনন্দ যেহেতু বৈষয়িক অর্থে খাদ্য, পোষাক-পরিচ্ছেদ, ঘর-সাজানোর উপকরণ, আসবাবপত্র, বুক-শেলফ, গাড়ি, বাড়ি এবং সফরের মধ্যে সংজ্ঞায়িত হয়, সে জন্য এত ভেজালের মুখে পড়ে ঈদের আনন্দ কোন হামলে পড়ল কিনা, এ নিয়ে চিন্তা।
ফিক্সড-প্রাইস ব্যাপারটা বাংলাদেশে সম্ভবত অনেকাংশে আনফিক্সড। একটা অভিজাত দোকানে ঢুকলাম। দোকানের সামনে লেখা ফিক্সড প্রাইস। শার্টের দাম জিজ্ঞেস করলাম। দোকানী দাম যেটা বলল, আমি ঠিক তার অর্ধেক বললাম। দোকানী হেসে বলল, দেখতে পাচ্ছেন না, ফিক্সড প্রাইস লেখা। তারপর বলল, কিছু বাড়িয়ে দেন। পাকা ক্রেতারা দোকানিদের গলার এই স্বরটা চেনে। আমি মনে মনে তখন নিজেকে বকছি, আরো কেন দাম কম বললাম না। তারপরও বললাম, যা বলেছি, তাই। দোকানী কিছু না বলে পাশের জনকে দিল প্যাকেট করতে। তা হলে ফিক্সড প্রাইস নামক ভেজালটা কীভাবে সামলাবো!
সারা রোজাভর এবার খুব গরম গেছে। রোজাদার মানুষ অনেক পিপাসা এবং রসনাকে নিবৃত্ত করে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রোজা পালন করেছে। এর সমর্থনে, অর্থাৎ রোজা রাখার উপকার সম্পর্কে একটি বৈজ্ঞানিক আলোচনা সামাজিক মাধ্যমের বরাতে বাজারে উঠে এসেছে। এ আলোচনার ভিত্তিটি হচ্ছে অটোফেজি নামক একটি দেহগত প্রক্রিয়া। অটোফেজির বাংলাটা কিছুটা এরকম হবে যে শরীরের উপকারের জন্য আত্মহনন। উপবাস থাকলে শরীরের পরিপাকযন্ত্র বন্ধ থাকে না, তারা শরীরের ভিতর জমাকৃত অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকারক উচ্ছিষ্টগুলি সংহার করতে থাকে, শকুন যেমন উচ্ছষ্ট খেয়ে ভাগাড় পরিষ্কার রাখে। ফলে উপবাসের সময় অটোফেজি প্রক্রিয়া শরীরকে রিফাইনারির মতো পরিশোধন করে। তা’তে বরঞ্চ শরীরের উপকার হয়। কাজেই ধর্মীয় উপাচারের যদি একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও গ্রহণযোগ্যতা পায়, তাহলে বোঝা যায় ধর্ম আসলে মানবসমাজেরই বিভিন্ন লোকাচার, স্বাস্থ্যাচার ও অর্থনৈতিক আচার থেকে সৃষ্ট। সেজন্য সব ধর্মেই হয়তো উপবাসের একটি নিয়ম নিষ্ঠ সংশ্লেষ আছে। ঈদ পর্ব পালনের সময় সবাইকে শান্ত ও মধুরচিত্তে সব বিভেদ ভুলে গিয়ে আনন্দ করার তাগিদ দেওয়াই যায়।
লেখক হ অধ্যাপক ও ডিন, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।

The Post Viewed By: 142 People

সম্পর্কিত পোস্ট