চট্টগ্রাম সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১১:০৩ পিএম

অনলাইন ডেস্ক

থাকছে না গ্রেডিংয়ের পুরনো পদ্ধতি : পাবলিক পরীক্ষায় চালু হচ্ছে জিপিএ-৪

পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেডিংয়ের পুরোনো পদ্ধতি জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে নির্ধারণ করা হয়েছে জিপিএ-৪। এতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেএসসি পর্যন্ত একই গ্রেডিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে। রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রেড পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পরিবর্তন কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন নতুন গ্রেড পদ্ধতি উপস্থাপন করেন। এরপর সকলের সম্মতিতে খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করা হয়। তবে এ সংক্রান্ত আরও দুই-একটি সভা করা হবে বলে সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।

গ্রেড পরিবর্তন প্রস্তাবনায় দেখা গেছে, জেএসসি-জেডিসি, এসএসসি-সমমান, এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় নম্বরের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ জিপিএ-৪ করা হবে। এ ক্ষেত্রে ৯০-১০০ পর্যন্ত এ প্লাস জিপিএ-৪, ৮০-৮৯ পর্যন্ত ‘এ’ জিপিএ-৩.৫, ৭০-৭৯ ‘বি’ প্লাস জিপিএ-৩, ৬০-৬৯ ‘বি’ জিপিএ-২.৫, ৫০-৫৯ ‘সি’ প্লাস জিপিএ-২, ৪০-৪৯ ‘সি’ জিপিএ-১.৫, ৩৩-৩৯ ‘ডি’ জিপিএ-১ এবং শূন্য থেকে ৩২ ‘এফ’ গ্রেড জিপিএ-০ বা ফেল নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে নতুন জিপিএ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে। এটি বহির্বিশ্বের সঙ্গেও সমন্বয় থাকছে। তিনি বলেন, সভায় নতুন গ্রেড সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাবনা প্রকাশের পর এ নিয়ে উপস্থিত সকলের মতামত চাওয়া হলে সকলে তাতে একমত প্রকাশ করেন। পুরোনো পদ্ধতি জিপিএ-৫ বদলে চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি-জেডিসি) পরীক্ষা থেকে জিপিএ-৪ পদ্ধতি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে চলতি বছর নভেম্বরে আয়োজিত জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা থেকে নতুন পদ্ধতি কার্যকর হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিজিপিএ-৪ এর সঙ্গে সমন্বয় করে নিচের স্তরের সকল পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৪ করা হচ্ছে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেহেতু এটি একটি বড় কর্মযজ্ঞ, তাই এটি চূড়ান্ত করার আগে আরও দুই-একটি সভা করা প্রয়োজন। বিশ্বের সঙ্গে সমন্বয় রেখে গ্রেড পদ্ধতি পরিবর্তন করা হচ্ছে। কোনো পরিবর্তনের ফলে কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে একই গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে, সে বিষয়টি সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গ্রেড পরিবর্তন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, অনেক দেশে আমাদের গ্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় না থাকায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যায় পড়ে। নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়ন হলে সে সমস্যার নিরসন হবে।

পূর্বকোণ/ এস

The Post Viewed By: 769 People