চট্টগ্রাম রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০

১৫ জানুয়ারী, ২০২০ | ৪:০১ পূর্বাহ্ন

অধ্যাপক রতন কুমার তুরী

পরিবেশদূষণ রুখতে চাই গণসচেতনতা কর্মসূচি

গ্রাম থেকে শহরে, গঞ্জ থেকে নগরে সব খানেই পরিবেশ দূষণের মাত্র বেড়েই চলেছে। অসংখ্য প্লাস্টিক বোতল, জার, পলিথিন ডোবা নালায় আটকে থেকে শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টিসহ পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে চলেছে। অন্যদিকে পরিবেশ রক্ষায় অতি প্রয়োজনীয় বৃক্ষ, বন, পাহাড় কেটে মানুষ অবিরামভাবে গড়ে তুলছে জনবসতি। এতে দিনের পর দিন পরিবেশ দূষণ বেড়েই চলেছে। পাহাড় খেকো, ভূমি দস্যু আর বন উজাড়কারীদের বদৌলতে দিন দিন কমেই চলেছে পরিবেশ ভারসাম্যের প্রয়োজনীয় এসব উপকরণগুলো।

শহরে এলাকায় শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে বেশ কিছু পরিচ্ছন্ন কর্মচারি এবং কর্মকর্তা দিনরাত পরিশ্রম করা সত্ত্বেও দেখা যায় বিভিন্ন নালায় অসংখ্য প্লাস্টিকের বোতল এবং পলিথিন জমে আছে আর এর জন্য নালায় ময়লা পানি জমে থাকে মাসের পর মাস এবং সেই নোংরা ময়লা পানিতে জন্ম হয় অসংখ্য মশা। পলিথিনের জিনিস ব্যবহার করে তা নিদিষ্ট জায়গায় রাখা কিংবা পুড়িয়ে ফেলা এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা যদি এই দায়িত্ব সবাই সঠিকভাবে পালন করি তাহলে শহরের নালাগুলো পরিষ্কার থাকবে তাতে পানি আটকে থাকতে পারবেনা এবং পরিবেশ দূষণও হবেনা। বন উজাড়ের ফলে আমাদের পরিবেশে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিয়ে পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড বেড়ে যাবে এবং দেখা দেবে পরিবেশ বিপর্যয়। আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কমে যাবে। যেমন- বন, পাহাড়, বৃক্ষাদির প্রতি যদি আমরা একটু সদয় হই, সব মানুষদের বুঝিয়ে বলি যে বন, পাহাড়, বৃক্ষ নিধন করলে প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারাবে এবং এক সময় রুষ্ট হয়ে প্রতিশোধ নেবে তাহলে হয়তো এর সুফল পাওয়া যাবে। তাই, আসুন আমরা নিজেরাই সচেতন হই, পরিবেশের দূষণ রোধে দেশকে বাঁচাই নিজেরা বাঁচি এবং পরবর্তী প্রজন্মকে বাঁচাই।

The Post Viewed By: 39 People

সম্পর্কিত পোস্ট