চট্টগ্রাম সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ | ৩:১৫ পূর্বাহ্ন

দুর্যোগ মোকাবেলায় সুন্দরবনের অনন্য ভূমিকা

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় সিডর, ২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলা এবং সবশেষে চলমান বুলবুলের আগ্রাসী থাবা হতেও বাঁচিয়ে দিল ‘সুন্দরবন’। সুন্দরবনের গাছপালায় বাধা পেয়ে বুলবুলের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ২০ কিলোমিটার কমে যায়। জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতাও কমে আসে।

মানুষের অপকার্যকলাপ কারণে পশু, পাখি আর গাছপালারা আজ বিপদগ্রস্ত। সুন্দরবনও সেই করাল গ্রাসের একদমই বাইরে নয়। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের বাগেরহাট জেলায় বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে রামপালে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হলে বিশ্বের সর্ববৃহৎ গ্রীষ্মম-লীয় বনাঞ্চলটি ধ্বংস হয়ে যাবে। কর্তৃপক্ষ বলছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করলে সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না, তার বাস্তবসম্মত ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ জাতির সামনে তাদের তুলে ধরতে হবে। এছাড়াও অবাধে গাছ কাটা, পশু নিধনসহ যাবতীয় চোরা কারবারকেও বিচারের আওতায় আনা চাই। সুতরাং দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে আর বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে সুন্দরবনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে। তাই দেশের সর্বস্তরের জনগণ ও সরকারের সজাগ দৃষ্টি কামনা করছি। সুন্দরবন যেদিন থাকবে না বাংলাদেশের প্রাণ, দুর্যোগ সেদিন রুখবে কে একবার বলে যান?

নাবিল হাসান
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

The Post Viewed By: 44 People

সম্পর্কিত পোস্ট