চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

২১ মে, ২০১৯ | ১:২৯ পূর্বাহ্ণ

গুলের ওপর ৩০০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করুন

বর্তমানে গুলের এক্স-ফ্যাক্টরি প্রাইসের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ১০০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও এক শতাংশ স্বাস্থ্যোন্নয়ন সারচার্জ আরোপিত আছে। এ হিসাবে গুলের ১০০ টাকা এক্স-ফ্যাক্টরি প্রাইস (কারখানার বিক্রয় মূল্য)-এর ওপর ৩১ শতাংশ ভ্যাট আদায় করা মূসক আইনে বাধ্যতামূলক। গুল মূলত নেশাসামগ্রী। বাংলাদেশের শহর-বন্দর-গ্রামের প্রতিটি মুদি ও চা-পানের দোকানে স্বল্প মূল্যে দেদারসে গুল বিক্রি করা হয়। ক্রেতা প্রধানত দরিদ্র শ্রেণির নারী-পুরুষ এমনকী শিশু-কিশোররাও। এ নেশার হাত থেকে তাদের বাঁচাতে পণ্যটির মূল্য বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। এটি সম্ভব হবে যদি গুলের ওপর উচ্চ হারে ট্যাক্স বৃদ্ধি করা হয়। আমাদের মতে ঈপ্সিত ফল লাভের জন্য এবার বাজেটে নেশার সামগ্রী গুলের ওপর ৩০০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা বাঞ্ছনীয়। আমরা হিসাব কষে দেখেছি যদি গুলের ওপর ৩০০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয় তাহলে পণ্যটির বিদ্যমান ট্যাক্স (ভ্যাট) ৩১ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে এবং সর্বশেষ ভোক্তা মূল্যও একই হারে বৃদ্ধি পাবে। ফলে গুলাসক্ত ব্যক্তিদের ক্রয়ক্ষমতার অভাবে দেশে গুলের বিক্রি ও ব্যবহার হ্রাস পাবে বলে আমাদের ধারণা। ট্যাক্স বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে গুল ভবিষ্যতে দুর্মূল্য হয়ে উঠবে এবং এটি বিলুপ্তির পথে এগুবে। আশা করি সরকার গুলের ওপর ৩০০ শতাংশ ট্যাক্স বৃদ্ধি করবে।

হাজী মো. আলী বশির
৪১ আবদুল হাদী লেন, বংশাল, ঢাকা।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট