চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

সর্বশেষ:

১৮ জানুয়ারী, ২০২০ | ৪:০১ পূর্বাহ্ন

বন্দরের প্রস্তুতিটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

মাহবুবুল আলম সভাপতি, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

চট্টগ্রাম বন্দর দেশি-বিদেশি যে কোনো আমদানিকারককে সেবা দিতে পারে। ট্রান্সশিপমেন্টের ক্ষেত্রে বাস্তবতা হলো বন্দর সেবা দিতে কতটুকু প্রস্তুত। সেই প্রস্তুতিটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বন্দরে এখন জেটি আছে ১৯টি। কিন্তু আমাদের বরাবরই দাবি ছিল জেটি ৬০টি করা হোক। তাহলে জাহাজ বার্থিং দিতে সমস্যা হবে না। আর বার্থিং দিতে পারলে বন্দরের আয় হবে, সরকারেরও আয় হবে। তাই সেবা প্রদানের বিষটি নিশ্চিত করতে হবে। ট্রান্সশিপমেন্টে বন্দর বর্ধিত চার্জ না পেলেও রেগুলার চার্জ পাবে। তাই বন্দরের

সক্ষমতা বাড়ানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যত বেশি দেশি-বিদেশি জাহাজ আসবে বন্দরও তত বেশি চার্জ পাবে।
পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়ক এখন চার লেন। কিন্তু আমরা বার বার বলেছি এই সড়ক আট লেন করতে হবে। আর ভারি যান চলাচল উপযোগীও হতে হবে। সড়কের অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে চলাচল বাড়বে। এতে দেশের ব্যবসার পাশাপাশি ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশেরও ব্যবসা বাড়বে। এতে আমরাও লাভবান হবে। তাই অবশ্যই অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই। আমাদের কিছু পণ্য ভারতে রপ্তানি হয়। ট্রান্সশিপমেন্টে হলে আমাদের সেই পণ্য রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাবে এমনটা নয়। সারা বিশ্বে ব্যবসা চলে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। তাই আমাদেরও চিন্তা করতে হবে কত কম খরচে পণ্য উৎপাদন করা যায়।

বন্দর তৈরি হয়েছে সমুদ্র পথে পণ্য পরিবহন করে কাজে লাগানোর জন্য। সুতরাং আমাদের যে বন্দর আছে সেটি পার্শ্ববর্তি দেশ ব্যবহার করতে পারে। এতে ক্ষতির কিছু নেই। পজেটিভ ভাবে চিন্তা করলে আমরা এর মাধ্যমে লাভবান হবো। আর সেজন্য বন্দরের সক্ষমতা আরো বাড়ানো প্রয়োজন।

The Post Viewed By: 58 People

সম্পর্কিত পোস্ট