চট্টগ্রাম শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজার সংবাদদাতা

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ রোহিঙ্গা মাদকবিক্রেতা নিহত

টেকনাফে র‌্যাবের হাতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও অস্ত্রসহ আটক মাদক কারবারী সিন্ডিকেটের সদস্য মাফিয়া ডন বার্মাইয়া নুর হাফিজ এবং সহযোগী সোহেলকে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এতে পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) ভোররাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর গাজী পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুইজন হলেন- হোয়াইক্যং নয়াপাড়ার দিল মোহাম্মদের ছেলে ও রোহিঙ্গা ডাকাত আব্দুল হাকিমের সহযোগী মো. আমিন প্রকাশ নূর হাফেজ (৩২) ও হ্নীলা রঙ্গীখালীর মো. সাব্বির আহম্মদের ছেলে মো. সোহেল (২৭)।

হ্নীলা-হোয়াইক্যংয়ের সবচেয়ে বড় মাদক সিন্ডিকেটের গডফাদার নিহত হওয়া খবর এটি।

সূত্র জানায়, শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) ভোররাতে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ র‌্যাব-৭ কর্তৃক ৮ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা, ৬টি অস্ত্র ও ৭০ রাউন্ড বুলেটসহ সোর্পদকৃত হ্নীলা রঙ্গীখালীর গাজী পাড়ায় বসবাসরত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারী নয়াবাজারের মৃত দিল মোহাম্মদের পুত্র বার্মাইয়া নুর হাফিজ (৩২) ও সহযোগী সব্বির আহমদের পুত্র মো. সোহেল (২৭) এর স্বীকারোক্তিতে তাদের আস্তানায় অবৈধ অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে যায়।
এসময় নুর হাফিজ সিন্ডিকেটের স্বশস্ত্র সদস্যরা পুলিশের নিকট হতে তাদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে।  পুলিশও আত্মরক্ষার্থে বেশ কয়েক রাউন্ড পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে কিছুক্ষণ পর হামলাকারীরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়।

এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশী করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গুলিবিদ্ধ নুর হাফিজ এবং সোহেলকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।

শনিবার সকাল ৭ টার দিকে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তবে এখনো অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত সংবাদ মাধ্যমকে অবগত করেনি পুলিশ। বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক কারবারি নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

পূর্বকোণ/পিআর

The Post Viewed By: 122 People

সম্পর্কিত পোস্ট