চট্টগ্রাম শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ৫:০৯ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচিত হলে চান্দগাঁও-বোয়ালখালীতে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করা হবে : বাবলু

চট্টগ্রাম-৮ আসনে (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার কেন্দ্রীয় মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করে বের হলেই চান্দগাঁও বোয়ালখালীর হাজার হাজার মানুষ তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে কুশল বিনিয়ম এবং সমর্থন ব্যক্ত করেন। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় ও পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করতে আসেন উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়া উদ্দিন আহমদ বাবলু। তিনি জুমার নামাজ শেষে পিতা মাতার কবর জিয়ারত করেন। এসময় বোয়ালখালী-চান্দগাঁও এলাকার হাজার হাজার মানুষ তার সাথে সাক্ষাতের জন্য আসেন এবং তিনি তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এলাকাবাসীর সমর্থন ও দোয়া চান তিনি। এলাকাবাসী তাঁকে অভিনন্দন ও সমর্থন ব্যক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর সভাপতি আলহাজ হাসান মাহমুদ চৌধুরী সিআইপি, সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও নগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারি ইয়াকুব হোসেন, উত্তর জেলার সেক্রেটারি শফিকুল আলম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির নেতা রাশেদুল আলম চৌধুরী, দিদারুল আলম চৌধুরী, নগর কমিটির সদস্য মাহমুদুল করিম, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির উত্তর জেলার আহবায়ক এম শফিউল আজম চৌধুরী লিটন, আবদুর রউফ প্রমুখ।
এসময় জিয়া উদ্দিন আহমদ বাবলু বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে সবাইকে চলতে হবে। আমার আজকের সফর শুধুমাত্র পিতা-মাতার কবর জিয়ারত ও জুমার নামাজ আদায় করার জন্য আসা। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলে আপনাদের সাথে সব সময় থাকবো।
তিনি বলেন, কোতোয়ালী-বাকলিয়ার যেভাবে উন্নয়ন করেছি ঠিক তেমনি ভাবে চান্দগাঁও-বোয়ালখালীরও উন্নয়ন করা হবে। এ জন্য তিনি সকলের সমর্থন আশা করেন।

মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত চান্দগাঁও-বোয়ালখালী গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনের লাঙ্গল প্রতীককে জয়ী করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি মহাজোটেও তাকে সমর্থন দিবে বলে আশা করেন।
উল্লেখ্য, তিনি ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় পার্টির শাসনামলে প্রায় পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। সরকারের নীতি নির্ধারক হিসেবে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি মহাজোটেরও একজন প্রভাবশালী নেতা।
এদিকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে চট্টগ্রাম-৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমাপূর্বক চকবাজারস্থ মহানগর জাতীয় পার্টি ও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু।

তিনি বলেন, আগামী ১৩ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হলে চট্টগ্রাম-৮ আসনের জনগণের প্রাণের দাবি স্বপ্নের কালুরঘাট সেতু ও কালুরঘাট ভারী শিল্পাঞ্চলকে আধুনিক ও বিশ্বমানের শিল্পাঞ্চলে রূপান্তর করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও পল্লীবন্ধুর নতুন বাংলাদেশ বির্নিমাণে কাজ করে যাবো। আমি গত ১ বছর আগেও চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ছিলাম। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে কোতোয়ালী-বাকলিয়া এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় আমাকে পুনরায় চট্টগ্রাম-৮ আসনে লাঙ্গল প্রতীকে রায় দিয়ে জয়ী করলে এলাকার জনগণের সার্বিক সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মহানগর জাপার সভাপতি আলহাজ সোলায়মান আলম শেঠ এর সভাপতিত্বে এবং নগর জাপার সাধারণ সম্পাদক এয়াকুব হোসেনের সঞ্চালনায় নগর জাতীয় পার্টির কর্মী সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী এমপি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক, সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম, বিশেষ উপদেষ্টা ব্যারিস্টার সানজীদ রশীদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান দিদারুল কবীর দিদার, কেন্দ্রীয় সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাপা’র আহ্বায়ক নুরচছফা সরকার, কেন্দ্রীয় যুব সংহতির সহ-সভাপতি সৈয়দ আবুল কাশেম, সাবেক দপ্তর সম্পাদক কাজী শামসুল ইসলাম রঞ্জন, উত্তর জেলার সাবেক আহ্বায়ক শায়েস্তা খান চৌধুরী, নগর জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি মো. ছালামত আলী, আবু জাফর মো. কামাল, মোহাম্মদ আলী, সগীর আহম্মদ সোহেল, উত্তর জেলা জাপার সদস্য সচিব শফিউল ইসলাম চৌধুরী, নগর জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর যুব সংহতির আহ্বায়ক কে.এম আবছার উদ্দিন রনি, দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক বোরহান উদ্দিন ফারুকী, মাহমুদুল হক বেঙ্গল, হারুন অর রশীদ, কাজী মুজিবুর রহমান, নগর জাপা নেতা আলী ইমরান চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মো. ইসমাইল হোসেন, উত্তর জেলা যুব সংহতির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, নগর যুব সংহতির সদস্য সচিব কায়সার হামিদ মুন্না, নগর স্বেচ্ছাসেবক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সমীর সরকার, নগর শ্রমিক পার্টির সদস্য সচিব হারুন অর রশীদ হারুন, নগর যুবসংহতির যুগ্ম আহ্বায়ক জহির উদ্দিন জহির, এম. এ শুক্কুর, কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা এরশাদুল হক সিদ্দিকী, জাহাঙ্গীর আলম, নুর আলী, এনামুল হক রাশেদ, হাফেজ খয়রাত হোসেন, নগর ছাত্রনেতা রাশেদুল হক খোকন, চকবাজার থানা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক জাহেদুল আলম বাচ্চু, কোতোয়ালী থানার আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাঞ্চাব, সদস্য সচিব মো. সেলিম, ইপিজেড থানার সভাপতি গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।

The Post Viewed By: 82 People

সম্পর্কিত পোস্ট