চট্টগ্রাম রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

সর্বশেষ:

১৫ মে, ২০১৯ | ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ

এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী সভাপতি, রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি

পরিবেশ রক্ষা করেও উন্নয়ন সম্ভব তার দৃষ্টান্ত সিআরবি

একসময়ের ভীতিকর সিআরবি এখন বেড়ানোর জায়গায় পরিণত হয়েছে। এর জন্য খুব বেশি অর্থের প্রয়োজন হয়নি। আন্তরিক উদ্যোগ এবং কঠোর মনিটরিং বাড়িয়ে দিয়েছে সিআরবি পাহাড়ের রূপলাবণ্য। এখন মানুষ তপ্ত গরমে সিআরবি’র শতবর্ষী বৃক্ষরাজির নিচে বসে শীতল পরশ নিতে যায়। রাতেও সেখানে বসে আড্ডা দেয়। জানতে চাইলে এবিএম ফজলে করিম এমপি বলেন, বাংলাদেশে সাত রাস্তার মাথা আর কোথাও নেই। একমাত্র সিআরবিতেই আছে। কিন্তু এই পথ দিয়ে অতীতে ভয়ে কেউ চলাচল করতো না। রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব পাওয়ার পর আমি চিন্তা করলাম এই জায়গাকে মিনি সিঙ্গাপুর বানাব। সামান্য টাকা দিয়ে কাজটা শুরু করেছি। ইতিমধ্যে ৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাতেই এই জায়গাটি সাধারণ মানুষের বেড়ানোর পছন্দের জায়গার তালিকায় স্থান পেয়েছে। আরো প্রায় অর্ধেক কাজ বাকি আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাকি কাজের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এখানে ওয়াকওয়ে হবে। ঝর্ণা হবে। মানুষ অন্তত এখানে এসে বুক ভরে নিঃশ^াস নিতে পারবে। বিদেশে গেলে আমরা দেখি, তারা পাহাড়ের ঢালে অনেক কিছু করে। আমরাও ফলদ গাছ লাগাতে পারি। ফুলের বাগান করতে পারি। পরিবেশ রক্ষা করেও উন্নয়ন করা সম্ভব। সিআরবি একটি ঐতিহাসিক স্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে যে কাঠের বাংলো আছে, তাতে আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর ঘাঁটি ছিল। তাছাড়া ইউরোপিয়ান ক্লাবসহ অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা আছে। এসব সংরক্ষণ করেই আমি এখানে উন্নয়ন কাজ করছি। সিআরবি’র উন্নয়নে যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন তা এখনো শেষ হয়নি উল্লেখ করে বলেন, পুরো কাজ সম্পন্ন হলে এখানে মানুষ পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসবে। সৌন্দর্যের দিক দিয়ে এই চট্টগ্রাম শহরের জন্য একটি বিস্ময়কর স্থানে পরিণত হবে।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট