চট্টগ্রাম শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০

সর্বশেষ:

১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাঁশখালীতে মাওলানা ভাসানী স্মরণসভা

মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাঁশখালীতে ভাসানী স্মরণ কমিটির আয়োজনে স্মরণসভা গত ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল গাফফার খান, কৃষক ও ক্ষেতমজুর ফ্রন্টের জেলা সংগঠক সত্যজিৎ বিশ্বাস, বাঁশখালী কৃষক ও ক্ষেতমজুর ফ্রন্টের সংগঠক অমৃত কারন ও কৃষক নেতা শংকর সাহা।
বক্তারা বলেন, শোষিত-নিপীড়িত মানুষের নেতা ছিলেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, সেজন্যেই তার নাম ‘মজলুম জননেতা’। মাওলানা ভাসানীর স্বপ্ন ছিল শোষণহীন স্বাধীন বাংলাদেশের। যেখানে কৃষক ও শ্রমিকই দেশের প্রকৃত মালিক। এই স্বপ্ন বুকে নিয়ে বৃটিশ আর পাকিস্তান আমলে তিনি জমিদার, জোতদার, সুদখোর মহাজন, পাকিস্তানি লুটেরা শাসকদের বিরুদ্ধে কৃষক শ্রমিকদের লড়াই করতে শিখিয়েছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা।

স্বাধীন দেশে আজ কৃষকেরা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। ফলসের ন্যায্য মজুরি না পেয়ে তারা নিঃস্ব। আমন মৌসুমে প্রতিমণ ধান উৎপাদনে খরচ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা আর বিক্রি হচ্ছে মোটা চাল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়। অথচ সরকারের নির্ধারিত ধানের মূল্য মণ প্রতি ১ হাজার ৪০ টাকা। মধ্যস্বত্বভোগীরা কমদামে ধান কিনে সেই টাকা আত্মসাত করছে। আজ কৃষকের সংগঠিত অবস্থান থাকলে তা সম্ভব হতো না। মৌলানা ভাসানীর দেখিয়ে যাওয়া পথে আজ কৃষক আন্দোলনকে সংগঠিত করতে হবে ও শোষিত মানুষের তার আত্মত্যাগকে অনুসরণ করতে হবে। মাওলানা ভাসানী পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল গাফফার খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীকে জাতীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের কাছে দাবি তুলে ধরেন।

The Post Viewed By: 57 People

সম্পর্কিত পোস্ট