চট্টগ্রাম সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০

১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দনাইশ

চিড়িংঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ জনকে ১টি প্রশ্নপত্র

চন্দনাইশ প্রাথমিকে চলতি বার্ষিক পরীক্ষা

উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ধোপাছড়ি চিড়িংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর পর ৩টি পরীক্ষায় ৩ জন শিক্ষার্থীকে ১টি করে প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষার্থীদের খাতায় বহিরাগতরা লিখে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

জানা যায়, উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ধোপাছড়ি চিড়িংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি বছর বার্ষিক পরীক্ষায় ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ২ জন ও ৩ জন মিলে ১টি করে প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। একইসাথে পরীক্ষা চলাকালীন অভিভাবকেরা পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের খাতায় লিখে দেয়ার দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত দু’টি পরীক্ষা কেন্দ্রের দৃশ্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক দিদারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, প্রশ্নপত্র প্যাকেট করে নেয়ার সময় ৪র্থ শ্রেণির ১টি প্রশ্ন সাদা পড়ে গেলে দুজন শিক্ষার্থীকে ১টি প্রশ্ন দেয়া হয়েছে। তাছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে ১ জন মহিলা অভিভাবক শিক্ষকদের সাথে বাড়াবাড়ি করে প্রবেশ করেছে। স্থানীয় একটি মহল বিষয়টি ভিন্নভাবে প্রভাহিত করে বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করার জন্য এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কুতুব উদ্দীন প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন কম নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থী হিসাব করে প্রশ্ন না নেয়াটা শিক্ষকের অপরাধ। তাছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে পরীক্ষা চলাকালীন অভিভাবক লিখে দেয়াও সম্পূর্ণ অনৈতিক। এ বিষয়ে তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান আল মামুন বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন না। প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক করে থাকেন বিধায় প্রশ্নপত্র কম পড়লে দায়-দায়িত্ব তাদেরকে নিতে হবে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পাওয়া গেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে লিখবেন বলে জানান।

The Post Viewed By: 51 People

সম্পর্কিত পোস্ট