চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

সর্বশেষ:

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

গার্মেন্টস শিল্পকে বাঁচান

তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র বর্তমান ও সাবেক নেতারা বলেছেন, গত চার দশকের মধ্যে এবারই প্রথম গার্মেন্টস শিল্প এতো গভীর সংকটে পড়েছে। এর আগে সংকটে পড়লেও রপ্তানির হার নেতিবাচক ছিল না। এতো বড় সাফল্যের শিল্পটিতে বর্তমানে ৪০ লক্ষ মানুষ কাজ করছে যার ৮০ ভাগই নারী শ্রমিক। এই খাত ঝুঁকিতে পড়লে দেশ ঝুঁকিতে পড়বে। সরকারকে এই শিল্প টিকিয়ে রাখতে এখনই বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে।

দৈনিক পূর্বকোণ আয়োজিত ‘সংকটে গার্মেন্টস শিল্প ও অনাকাক্সিক্ষত ঝুঁকি’ শীর্ষক টেবিল টক-এ গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিকারকরা এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে পূর্বকোণ সেন্টারের ইউসুফ চৌধুরী কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত এই টেবিল টকে সঞ্চালক ছিলেন বিজিএমইএ’র সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী। আলোচকদের মধ্যে ছিলেন বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি এমএ সালাম, আইবিএফবি চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান এস এম আবু তৈয়ব। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. ম. রমিজউদ্দিন চৌধুরী।

এমএ সালাম বলেন, গার্মেন্টস খাতের বর্তমান পরিস্থিতিকে আর সংকট বলার উপায় নেই। এখন বলতে হবে বেঁচে থাকার লড়াই।
এস এম আবু তৈয়ব বলেন, এবারের ‘ফল’ সিজনে আমরা অর্ডার পাবো কি না, তা নিয়ে শঙ্কিত। কারণটা হচ্ছে লিড টাইম। সবগুলো অর্ডার চলে যাচ্ছে ভিয়েতনামে। ভিয়েতনামে লিড টাইম ইজ ভেরি লো।

ব্যাংকিং সেক্টরে আরো একটি দুর্বলতা রয়েছে। সেটা হচ্ছে, কোনো কারণে যদি আমাদের এক্সপোর্ট আটকে যায় সেই পয়সা ফেরত আনতে আমাদের ব্যাংকিং সেক্টরের যথার্থ উদ্যোগ নেই। যে কারণে, অনেক উদ্যোক্তা মুখ থুবড়ে পড়ছেন এবং পড়বেন। এটা নিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কাজ করা উচিত। বৈদেশিক কোন পেমেন্ট দিতে দেরি হলে ব্যাংক যেভাবে এগিয়ে আসে সে হারে আমাদের পেমেন্ট আনার জন্য কোন ব্যাংক এগিয়ে আসে না। যা বড় একটি সমস্যা। এছাড়া এই খাতটিকে বাঁচিয়ে রাখতে টাকার চেয়ে সরকারের পলিসি সাপোর্ট বেশি প্রয়োজন।

The Post Viewed By: 149 People

সম্পর্কিত পোস্ট