চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২০

সর্বশেষ:

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ৫:৪২ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব সংবাদদাতা হ টেকনাফ

সাগরে হারিয়ে যাওয়া ১৭ বাংলাদেশি জেলে সেন্টমার্টিনে হস্তান্তর

মাছ শিকারে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে সাগরে হারিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি ১৭ জন জেলেকে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাহিনীর মিডিয়া কর্মকর্তা লে. বিএন এম হায়াত ইবনে সিদ্দিক গতকাল (শনিবার) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সীমান্তের ইতিহাসে এটাই সর্বপ্রথম স্বল্প সময়ে জেলে ফেরৎ দেয়ার ঘটনা। লে. বিএন এম হায়াত ইবনে সিদ্দিক জানান, গত ২৯ নভেম্বর চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর চাক্তাই এলাকা থেকে এফবি গোলতাজ-৪ নামের একটি ফিশিং ট্রলার ১৭ জন বাংলাদেশি জেলেসহ গভীর সাগরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যাত্রার দুই দিন পর সাগরে

ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। গত ৪ ডিসেম্বর বিকালে ভাসতে ভাসতে ট্রলারটি মিয়ানমারের জলসীমায় রাখাাইন রাজ্যের রাসিডং সাগর উপকূলে মায়ো দ্বীপের কাছাকাছি চলে গেলে মিয়ানমারের নৌ-বাহিনী জাহাজ ‘ইন-লে’ ট্রলারটিকে শনাক্ত করে সিটওয়ে বন্দরে নিয়ে যায়। মিয়ানমারের নৌ-বাহিনী ট্রলারটির ক্রুদের জাতীয়তা যাচাই শেষে রাখাইন প্রদেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও নিরাপত্তা মন্ত্রী বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে হস্তান্তর করে। বাংলাদেশ দূতাবাস মালিক পক্ষ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুততার সাথে হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অনুরোধ জানায়। পরবর্তীতে ৬ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড’র জাহাজ ‘তাজউদ্দীন’ সেন্টমার্টিনদ্বীপের ৬ মাইল পূর্বে বাংলাদেশ মিয়ানমারের আর্ন্তজাতিক সমুদ্র সীমানার জিরো লাইনের কাছে অবস্থান নেয় এবং ১৭ জন জেলেসহ ট্রলারটিকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে। ট্রলারের জেলেরা হলেন, মো. ফারুক (৪৫), মো. বাবুল (৫৫), মো. সেলিম (৫৭), মো. আবু সৈয়দ (৩৭), মো. কালাম (৫৭), মো. জসিম (৪০), মো. বুলেট (৪৪), মো. মোতাহার (৪৫), মো. কামাল (৫০), মো. জসিম (৫১), মো. নাসিম (৪৭), মো. জহির (৩০), মো. শাহ আলম (৬১), মো. নুর ইসলাম (৪৮), মো. বেলাল (২৭), মো. আল আমিন (২২), মো. জাহাঙ্গীর (৪১)। এরা সকলেই চট্টগ্রাম, ভোলা, মুন্সিগঞ্জ এবং চাঁদপুরের বাসিন্দা। পরবর্তীতে তাদের বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাহিনীর সেন্টমার্টিনদ্বীপ স্টেশনের মাধ্যমে বোটের মালিকের উপস্থিতিতে সেন্টমার্টিনদ্বীপ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

The Post Viewed By: 42 People

সম্পর্কিত পোস্ট