চট্টগ্রাম বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০

সর্বশেষ:

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব সংবাদদাতা হ রাউজান

চুয়েটের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ বিস্ময়কর উন্নয়নের মহাসড়কে

আকাশ থেকে চট্টগ্রাম-ঢাকা শহর চেনা যায়না, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন বাংলাদেশে এখন এমন উন্নয়ন হচ্ছে, আকাশ থেকে চট্টগ্রাম-ঢাকা শহর চেনা যায়না। বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশ নয়, বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচাইতে ঘনবসতি হলেও খাদ্য ঘাটতি নেই। মাত্র সাড়ে ১০ বছরে যে পরিমাণ জিডিপি বেড়েছে তা সত্যিই বিস্ময়কর। প্রত্যেকেটা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম তিনি গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)’র গৌরবময় ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দু’দিনব্যাপী আয়োজিত সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য একথা বলেন। চুয়েটের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন। চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন উদযাপন-২০১৯ এর নির্বাহী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক, প্রাক্তন ছাত্র সমন্বয় ও র‌্যালি উপ-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. জি.এম. সাদিকুল ইসলাম, চুয়েট অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী কবির আহমদ ভুঁঞা, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নাছির উদ্দিন, অর্থ কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী ফিরোজ খান নুন ফারাজী, সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী প্রবীর সেন। যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক, পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সানাউল রাব্বীর সঞ্চালনায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আরো বলেন আমরা বাঙালিরা বৈশ্বিকভাবে হয়তো ধনী নই। কিন্তু মেধার দিক দিয়ে আমরা দেশ থেকে এগিয়ে। সাহিত্য, অর্থনীতি, প্রকৌশল ও স্থাপত্য ক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়ে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন বলেন, ‘চুয়েটের প্রকৌশলীরা দেশে-বিদেশে সুনামের সাথে উন্নয়ন কর্মকা-ে অবদান রাখছেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রকৌশলীরা দেশের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্র। তাদের মেধাকে দেশের কল্যাণে আরো বেশি ব্যবহার করে যাবেন বলে আমি প্রত্যাশা করি। পরে চুয়েটের সাবেক অধ্যক্ষ, পরিচালক ও উপাচার্যগণকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন চুয়েট দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। পরে প্রধান অতিথিসহ অতিথিবৃন্দ বেলুন, পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। প্রতিষ্ঠান থেকে পাশকৃত বিপুল প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী, চুয়েট পরিবারের বর্তমান সদস্যগণ মিলে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মিলনমেলা বসে চুয়েট ক্যাম্পাসে। দু’দিনব্যাপী সুবর্ণজয়ন্তীর জমকালো আয়োজনের সমাপনী দিনে ছিল স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান, চুয়েটের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আমন্ত্রিত শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, নৈশভোজ, ফায়ারওয়ার্কস, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জেমস ও নগর বাউল এবং এলআরবি’র জমজমাট কনসার্ট প্রভৃতি।

The Post Viewed By: 55 People

সম্পর্কিত পোস্ট