চট্টগ্রাম রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ | ৫:৩৪ পূর্বাহ্ন

নোয়াখালীর সাথে সীমানা নির্ধারণের দাবি

সন্দ্বীপবাসীর স্মারকলিপি প্রদান বিভাগীয় কমিশনারকে

১৯১৩ থেকে ১৯১৬ সালে প্রস্তুতকৃত সি.এস ম্যাপ অনুযায়ী চট্টগ্রামের সাথে নোয়াখালীর সীমানা নির্ধারণের দাবিতে (১৯৫৪ সালে সংশোধিত থানা ম্যাপ) এবং চট্টগ্রাম জেলার অধীন সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্গত সাবেক নেয়ামস্তী ইউনিয়ন বর্তমান ভাসান চরকে নোয়াখালী জেলার অধীন থানা ঘোষণার প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সন্দ্বীপবাসী।

সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের উদ্যোগে উপরোক্ত বিষয়ে চট্টগ্রাম-ঢাকা ও সন্দ্বীপে আন্দোলনরত সংগঠনসমূহের যৌথ সমন্বয়ে উক্ত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়, চিরাচরিত নিয়মে নদীর এপার ভাঙে ওপার গড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় ৬৩০ বর্গমাইল বিশিষ্ট সন্দ্বীপ পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে ভাঙনের শিকার হয়ে এখন মাত্র ৮০ বর্গমাইলে পরিণত হয়েছে। সন্দ্বীপ থেকে সাবেক নেয়ামস্তী ইউনিয়ন বর্তমান ভাসান চরের দূরত্ব মাত্র ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার আর পার্শ্ববর্তী উপজেলা হাতিয়ার নলাচির ঘাট থেকে ভাসান চর প্রায় ২০ কিলোমিটার পূর্বে। সাবেক নেয়ামস্তী ইউনিয়ন বর্তমান ভাসান চর জেগে উঠার পর থেকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বন বিভাগ থেকে সন্দ্বীপ বন রেঞ্জের মাধ্যমে বনায়ন করা হচ্ছিল। সঙ্গত কারণেই সাবেক নেয়ামস্তী ইউনিয়ন বর্তমান ভাসান চর সন্দ্বীপ মানচিত্রের অংশ। এছাড়া আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে হাইকোর্টে সন্দ্বীপবাসীর দায়ের করা একাধিক মামলা বিচারাধীন আছে।

স্মারকলিপি প্রদানকালে প্রতিনিধি দলে ছিলেন, সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি মো. এনায়েত উল্লাহ্, সন্দ্বীপ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম লিমিটেড ঢাকার সভাপতি মো. নূরুল আকতার, সাবেক জেলা জজ মো. আবু সুফিয়ান, গ্রামীণ ব্যবসা বিকাশের সাবেক এমডি সালেহা বেগম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক পরিচালক শামছুল কবির খান, মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক দিদারুল আলম প্রমুখ।-বিজ্ঞপ্তি

The Post Viewed By: 28 People

সম্পর্কিত পোস্ট