চট্টগ্রাম সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

২২ নভেম্বর, ২০১৯ | ২:৪৫ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

শীত জেঁকে না এলেও মার্কেট ও ফুটপাতে শীতের পোশাক

বলা হয়ে থাকে, ভাদ্র মাসের ১৩ তারিখে শীতের জন্ম। কিন্তু অগ্রহায়ণ মাস শুরুতে ভোররাতে পত্রঝরা বৃক্ষে কুয়াশার ফোঁটা মনে করিয়ে দিচ্ছে এসে গেছে শীত।

এদিকে এখনও জেঁকে শীত না এলেও পাল্টে ফেলা হচ্ছে অনেক দোকানের মালামাল। এতদিন যারা দোকানে গ্রীষ্মকালীন পোশাকের সমাহার ঘটিয়েছিলেন তারাই এখন সরিয়ে ফেলছেন সেইসব পোশাক। দোকানের সামনে আনছেন শীতের পোশাক। শীতের মৌসুমকে সামনে রেখে বিক্রেতারা পাল্টে ফেলছেন দোকানের মালাামালের ধরণ। নগরীতে এখনও শীতের আমেজ পুরোপুরি অনুভব না হলেও গ্রামে মানুষ ঠিকই টের পাচ্ছেন সেই আমেজ। বিকেল হতে না হতেই গ্রামাঞ্চলে বয়ে যাচ্ছে মৃদুু শীতল হাওয়া। সন্ধ্যায় নামছে হালকা কুয়াশাও। ভোররাতে অনুভব হয় শীতের হালকা অনুভূতি। নারী পুরুষ আর শিশুর রকমারি শীতের কাপড় প্রসঙ্গে চলে আসে নগরীর জহুর হকার্স মার্কেটের কথা। গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন কাপড় সরিয়ে তুলছেন গরম কাপড়। গরম কাপড় দিয়ে তারা নতুনভাবে সাজাচ্ছেন দোকানকে।

অনেককে আবার দেখা গেল ব্যবসার ধরণও পাল্টাতে। ব্যবসায়ীরা জানান, এখনও পুরোপুরি শীত না পড়লেও অনেকে আগেভাগে শীতের পোশাক কিনতে মার্কেটে ভিড় করছেন। ঝামেলা এড়াতে আগেভাগেই পছন্দমতো গরম কাপড় সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে মার্কেটে বেশিরভাগ ক্রেতা আসছে বিভিন্ন উপজেলা থেকে। তাই আগের কাপড় সরিয়ে দোকানে শীতের পোশাক তোলা হচ্ছে। শীতের প্রকোপ শুরু হলে দোকানে বেচাবিক্রি বেড়ে যাবে। ক্রেতারা যাতে চাহিদামতো গরম পোশাক ক্রয় করতে পারেন তার জন্য দোকানে ছোট থেকে বড় প্রায় সব বয়সীর জন্য কাপড় রাখা হচ্ছে।

রাঙামাটি থেকে কাপড় কিনতে আসা খুচরা বিক্রেতা হারুনুর রশিদ বলেন, পাহাড়ী গ্রামগুলোতে শীতপড়া শুরু হওয়ায় বিক্রেতারা বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ গরম কাপড় কিনতে আসছেন। সেজন্য পাইকারি বাজার থেকে গরম কাপড় কিনতে এসেছি। তবে এখন ছোটদের গরম কাপড়ই কিনছি বেশি।

বিদেশ থেকে পুরনো কাপড় আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা জানান, সারা বছরের চেয়ে শীতের মৌসুমে পুরোনো কাপড়ের বেচা-বিক্রি অনেক গুণ বেড়ে যায়। তাই এ মৌসুমকে টার্গেট করে আমদানিকারকরাও অধিক পরিমাণ পুরোনো কাপড় আমদানি করে মজুদ রাখেন। এখনো পুরোপুরি শীত না পড়লেও শুরু হয়ে গেছে বেচাকেনা। আগামী সপ্তাহ দুয়েক পর থেকে বিক্রি বেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তারা।

পুরোনো কাপড় বিক্রেতা মিজানুর রহমান বলেন, শীত এখনও পুরোপুরি অনুভব না হলেও দূর-দূরান্ত থেকে বিক্রেতারা মার্কেটে কাপড় কিনতে আসছেন। এতে বিকিকিনিও জমে উঠছে। তবে বিক্রেতাদের অধিকাংশই চট্টগ্রাম ও তিন পার্বত্য জেলার বান্দরবান-রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলার খুচরা বিক্রেতা। এসব ব্যবসায়ীর বেশিরভাগই ছোটদের গরম পোশাক বেশি কিনছেন।

The Post Viewed By: 62 People

সম্পর্কিত পোস্ট