চট্টগ্রাম শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

২১ নভেম্বর, ২০১৯ | ২:০৫ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব সংবাদদাতা, নাজিরহাট

ফটিকছড়িতে শিমু’র পরিবার চায় লাশের পুনঃময়নাতদন্ত

ফলোআপ

ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নে গত ২৩ জুলাই নিহত শিমু আকতারের মৃত্যু রহস্য নিয়ে নানান ধূ¤্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি শিমু আকতারকে তার স্বামী, শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিচ্ছে। অপরদিকে নিহতের স্বামী পরিবারের দাবি শিমু আকতার স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছে। শিমু আকতারের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই তারা ফটিকছড়ি থানায় মামলা করতে চাইলে এজহারটি মামলা না হয়ে সাধারণ ডায়েরি হিসাবে গণ্য হয়। ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই আব্দুর রাজ্জাক মামলাসহ বিভিন্ন খরচের অজুহাতে ১৩ হাজার টাকা নেয় বলে অভিযোগ করেন। পরে নিহতের মা জিলু আকতার বাদি হয়ে শিমুর স্বামী রমজান আলীকে প্রধান আসামি করে আরো ৫ জনকে বিবাদি করে চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সি.আর মামলা করেন। মামলা নং ১৯২/২০১৯। সি.আর মামলার মূলে গত ৮ আগস্ট ফটিকছড়ি থানায় আদালতের নির্দেশে এটি এফ.আই.আর ট্রিট হয়ে ধারা ৩০২/৩৪ ধারায় পেনাল কোড রুজু হয়। ঘটনায় দু’টি মামলা হবার পরও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে মামলার আসামিরা অভিযোগ বাদিপক্ষের। জানতে চাইলে ফটিকছড়ি থানার এস.আই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ওই ঘটনার আমি তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঘটনায় মেয়েপক্ষের পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে কোন টাকা নিইনি। কেন টাকা নিব, টাকা নেয়ার প্রশ্ন আসে না। তাছাড়া নিহত গৃহবধূর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যা করেছে এমন প্রমাণিত হওয়ায় মামলাটি নিয়ে বেশি দূর এগুনো যাচ্ছে না বলে তিনি জানিয়েছেন। এদিকে নিহতের পরিবার লাশের পুনরায় ময়নাতদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)’র কাছে হস্তান্তরের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন ফটিকছড়ি থানা পুলিশ নাজিরহাটস্থ ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর (সওদাগর বাড়ি)’র রমজান আলীর স্ত্রী শিমু আকতার (১৮)’র লাশ উদ্ধার করেন। পরে, পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে উল্লেখ করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

The Post Viewed By: 21 People

সম্পর্কিত পোস্ট