চট্টগ্রাম রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ | ২:১০ পূর্বাহ্ন

মহানগর মহিলা দলের সভায় আমির খসরু

দেশের রাজনীতিবিদরা এখন ইতিহাসবিদ হয়ে গেছেন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে যে অস্থিরতা চলছিল, রাষ্ট্রের অস্থিত্বকে নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল, ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতা সেখান থেকে রক্ষা করেছিল। বাংলাদেশ একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে ফিরে এসেছিল। মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে এসেছিল। ৭ নভেম্বর আমাদের পরিচিতি দিয়েছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের। এ নিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন গল্প শুনছি। দেশের রাজনীতিবিদরা এখন ইতিহাসবিদ হয়ে গেছেন। তারা রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগ তাদের মত করে ইতিহাস রচনা করছে। তাই বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চট্টগ্রামের মহিলা দলকে পূর্ণ উদ্যমে এগিয়ে আসতে হবে। মনের সংগ্রামকে বের করে রাস্তায় নিয়ে আসতে হবে। তিনি বৃহস্পতিবার মহানগর মহিলা দলের উদ্যোগে নগরীর কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে জাতীয়

বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, পেঁয়াজ বাংলাদেশের গৃহিনীদের কাছে একটা অন্যতম উপাদান। এখন কেউ যদি বলে পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করতে হবে! তা কি মশকারা নয়? ডিমের দাম বাড়ছে বলে ডিম খাবেন না তা কি হয়? জনগণের কাছে যাদের জবাবদিহিতা নেই, মানুষের কাছে যাদের ভোট চাইতে হয় না, তারাই এ ধরনের মশকারা করতে পারে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বেগম রোজী কবীর বলেন, শহীদ জিয়ার ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশের একজন মহিলা রাষ্ট্রপতি হউক। তিনি মহিলাদলকে জাগাতে চেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেন, আমরা আজকে একত্রিত হয়েছি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য। শহীদ জিয়া যুদ্ধ করে যে দেশ প্রতিষ্ঠা করেছিল সেদেশের মালিকানা এখন জনগণের হাতে নেই।

কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করতে মহিলাদল সবার আগে থাকবে। তিনি বর্তমানে খুবই অসুস্থ। সরকার তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা দিচ্ছে না।

মহানগর মহিলাদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফাতেমা বাদশার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরীন খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এম এ আজিজ, জাহিদুল করিম কচি, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু।

বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক নায়েব ইউসুফ, মহানগর মহিলাদলের সিনিয়র সহ সভাপতি কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, সহসভাপতি খালেদা বোরহান, শাহেদা খানম মালা, শাহেদা বেগম, রেনুকা বেগম, রাহেলা জামান, এড. পারভীন চৌধুরী, ছকিনা বেগম, আঁখি সুলতানা, মাহমুদা সুলতানা ঝর্ণা, রেজিয়া সুলতানা মুন্নি, রেজিয়া বেগম বুলু, আরজুন নাহার মান্না, আতিয়া আকতার উষা, কামরুন নাহার লিজা, গুলজার বেগম, নাছরিন বাপ্পি, দেওয়ান মাহমুদা লিটা, নেত্রী ফারহানা জসিম, পারভীন চৌধুরী, সায়মা হক, জিনাত রাজ্জাক জিনিয়া, ফাতেমা কাজল, নুপুর, হাবিবা সুলতানা, মর্জিনা বেগম প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

The Post Viewed By: 63 People

সম্পর্কিত পোস্ট