চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৯

১০ নভেম্বর, ২০১৯ | ৩:১০ পূর্বাহ্ণ

পূর্বকোণ ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি, বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কা

উপকূলীয় এলাকায় দিনভর উৎকন্ঠা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে উপজেলার বিভিন্নস্থানে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ি এলাকাগুলোতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জেলা শহর ও উপজেলা গুলোতে প্রশাসনের উদ্যোগে মাইকিং হয়েছে।

বান্দরবান: আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। যে কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দেয়। জেলা শহর ও উপজেলা গুলোতে প্রশাসনের উদ্যোগে মাইকিং হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী লোকজনদের ইতিমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসন থেকে নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করা হয়েছে। এদিকে, শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুর্যোগ মোকাবেলায় এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জেলা প্রশাসক জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় সাতটি উপজেলায় ১৩৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসন।

সীতাকু- : আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, সীতাকু-ে সাগর ছিলো উত্তাল। হু হু করে বৃদ্ধি পেয়েছিলো সাগরের পানিও। পুরো উপকূলীয় এলাকা সাগরের পানির গর্জনে অনেকটা থমথমে হয়ে উঠেছিলো বেড়িবাঁধ এলাকা। এদিকে ঘূর্ণিঝড় আতংকে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে ছুটে গেছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনও ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় সন্দ্বীপবাসীদের নিরাপত্তায় সাগরে সবরকম ট্রলার, বোর্ট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা বেড়িবাঁধ এলাকায় সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য বার বার মাইকিং এর মাধ্যমে তাদের সতর্ক করা হয়। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার ঘূর্ণিঝড়টি ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এ ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ঝুঁকিতে ছিলো চট্টগ্রামসহ উপকূলের ৮টি জেলা। তাই চট্টগ্রামকে ৯ নাম্বার মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিকে ৪নং মুরাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহেদ হোসেন নিজামী বাবু বলেন, উপকূলে বসবাসরত জেলে সম্প্রদায় ও গুলিয়াখালী, ভাটেরখীলসহ সকলকে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসার জন্য মাইকিং করা হয়েছে এবং ইউপি সদস্য ও এলাকার লোকদের নিয়ে সকলকে সতর্ক করা অব্যাহত রয়েছে। তারা যেন নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসেন। দূর্যোগ মোকাবেলায় সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তবে এ ইউনিয়নের গুলিয়াখালী স্লুইস গেটটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। সাগরের পানি চলাচল করতে পারছেনা এ স্লুইস গেট দিয়ে। তাই এ গ্রামের কৃষক, জেলেসহ অসংখ্য মানুষ ব্যাপক ঝুঁকি ও আতঙ্কে বসবাস করে চলেছেন।

সীতাকু- ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার তাশারফ হোসেন ও ফায়ারম্যান মনিরুজ্জামান জানান, ফায়ার সার্ভিসের ৮ জনের একটি টিম ৪নং মুরাদপুর ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত লোকদের সাগরের বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে সরে যেতে এবং আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিকভাবে রাতে অথবা দিনে যে কোনো সময়ে দূর্যোগ মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিস টিমের সদস্যরা প্রস্তুত। ভাটিয়ারী ইমামনগর ইউনিট মির্জানগরের পক্ষ থেকে জেলে পাড়ায় ইউনিট লিডার মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ইউপি সদস্য মো. আলমগীর মাসুম ও মঈন উদ্দিনসহ ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির

টিমের অন্যান্যরা সাগর উপকূলে যে কোনো দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত। অপরদিকে ৬নং বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শওকত আলী জাহাঙ্গীর বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সাগরের তীরবর্তীতে থাকা লোকদের আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসার জন্য উপকূলীয় এলাকা বোয়ালীয়াকূল, ননুনাবিল, জমাদার পাড়া, আকিলপুর বসবাসরত লোকদের সতর্ক করতে বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় মাইকিং করা হয়েছে। গ্রাম্য পুলিশ ইউপি সদস্যরা জেলেসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়কে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অনেক সহযোগীতা করছেন। পর্যাপ্ত শুকনো খাওয়ার ও সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। এদিকে উপজেলার বড় কুমিরা ফেরী ঘাটসহ উপকূলিয় বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন কালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায় বলেন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে পর্যাপ্ত পরিমান শুকনো খাওয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার লোকজন যেন আশ্রয় কেন্দ্রে খুব সহজেই আশ্রয় নিতে পাড়ে সে জন্য উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা পতিষ্ঠানগুলো ও ৬০টি সাইক্লোন সেন্টার খোলা রাখা হয়েছে। দূর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সীতাকু- মডেল থানা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয়ে দূর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করা হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্রে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধকরণ ২৫০০০ ট্যাবলেট ও সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। বর্তমানে সন্দ্বীপ পারাপার বন্ধ রয়েছে। সিপিপি’র ১৫ টিমে মোট সেচ্ছাসেবক রয়েছে ৯৪৫ জন।

আনোয়ারা ঃ আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে আনোয়ারা উপকূলীয় এলাকার মানুষ আতংকিত ছিলো। তবে কিছু কিছু লোক ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে গেলেও অধিকাংশ লোক বাড়ি ঘরেই অবস্থান করছিলো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের আহমদ রাতের মধ্যে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয় ও আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার আশা করছেন। এদিকে সিপিপির স্বেচ্ছা সেবকেরা এলাকায় মাইকিং করছে, পতাকা উত্তোলন, মহাবিপদ সংকেত ও লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করার জন্য বলা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই উপজেলা প্রশাসন ৫৯টি সাইক্লোন সেন্টার আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করেছে। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস থেকে ৯নং মহাবিপদ সংকেত প্রচারিত হলে আনোয়ারা উপকূলীয় বাসির মধ্যে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সকাল থেকেই কন্ট্রোল রুম খোলেছে। ১৬টি মেডিকেল টিম গঠন করেছে। রায়পুর, জুঁইদন্ডী, বারশত, বারখাইন, বরুমছড়া হাইলধর ও বৈরাগ এলাকায় সিপিপির ৭৫০জন স্বেচ্ছা সেবক কাজ করছে। এদিকে রাত যতই গভীর হচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে ভয়, ভীতি ও আতংক বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপকূলীয় এলাকা রায়পুর, গহিরা, দক্ষিণ গহিরা, পরুয়া পাড়া, চুন্না পাড়া, সরেঙ্গা, জুঁইদন্ডী, খুরুস্কুল, পারকি, বারশত, বারখাইন, বরুমছড়া গ্রামে মানুষ জন নিরাপদে আশ্রয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এসব এলাকার মানুষ জনের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবের আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

আনোয়ারা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভূমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান এর পক্ষ থেকে এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার জন্য গাড়ী দিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের আহমদ সকাল থেকে রায়পুর, বারশত, জুঁইদন্ডী, বরুমছড়াসহ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি রায়পুর, বারশত এলাকায় জন সাধারণের সাথে মত বিনিময় ও করেন। উপজেলা প্রশাসন দফায় দফায় বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি খবরা খবর নিয়ে নির্দেশনা দিচ্ছেন। রায়পুর ইউনিয়নের রেড ক্রিসেন্ড কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল হারুন ঘূর্ণিঝড় বুলবুল সম্পর্কে সচেতন করতে মাইকিং করে নিরাপদে যাওয়ার জন্য লোকজনকে পরামর্শ দিচ্ছে। বারশত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.এ কাইয়ুম শাহ এর উদ্যোগে সভা করেছে। রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলম বলেন আশ্রয় কেন্দ্রে গ্রাম্য পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়ার জন্য প্রচারনা চালানো হচ্ছে। খোদ্দ গহিরাসহ কয়েকটি সাইক্লোন সেন্টারে কিছু সংখ্যক লোক আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের আহমদ বলেন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে, সরকারি কর্মচারী, কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল, মসজিদের মাইকে প্রচার সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাইকিং চলছে। মেডিকেল টিম বিশুদ্ধপানি ও শুকনো খাবার প্রস্তুত ছিলো। আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ জানায় আইনশৃঙখলা স্বাভাবিক রাখতেই পুলিশের টিম গঠন করে রাউন্ডে পাঠানো হয়েছে।

বাঁশখালী : আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, বাঁশখালী উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার লোকজনদের গৃহপালিত পশুসহ আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া লোকজনদের জন্য শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে শুক্রবার বিকেল থেকেই বৈরী আবহাওয়া ও হালকা বৃষ্টি শুরু হয়। শনিবার সকালে কিছু সময়ের জন্য রোদের দেখা গেলেও ১০-১৫ মিনিট পর পুনরায় দেখা দেয় বৈরী আবহাওয়া ও গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। উপজেলার সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ উপকূলীয় ইউনিয়নের মধ্যে খানখানাবাদ, বাহারছড়া, গন্ডামারা ও ছনুয়া ইউনিয়নের লোকজনদের শুক্রবার রাত থেকে উপজেলা প্রশাসন ও রেডক্রিসেন্ট এর পক্ষ থেকে মাইকিং এর মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। শনিবার বিকেল থেকেই ওই ইউনিয়নের লোকজনদের আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে কিছু কিছু এলাকার লোকজন এখনও নিজ নিজ বাড়ীতে অবস্থান করতে দেখা গেছে। জানা গেছে উপজেলার ১০২টি ব্যবহার উপযোগী আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ৩০-৩২টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার ৯শ মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছে। স্থানীয় বয়োবৃদ্ধা ফাতেমা বেগম, রহিমা খাতুন, ছায়েরা খাতুন জানান, আমাদের বসতঘর সাগরের খুব কাছে হওয়ায় ঘূর্ণিঝড়, জ্বলোচ্ছাসে প্রায়সময় ক্ষতিগ্রস্ত হই। তাই ঘূর্ণিঝড় আসার খবর পেয়ে জানমাল রক্ষার্থে আশ্রয়কেন্দ্রের শরণাপন্ন হয়েছি।
এদিকে শুক্রবার রাত থেকেই উপজেলা প্রশাসন ও সিপিপি কর্মীরা মাইকিং করলেও শনিবার ৯নং বিপদ সংকেত দেখানো পর থেকে এ এলাকার লোকজন আতংকগ্রস্ত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

শেখেরখীল ফাঁড়ির মুখ এলাকার মাছ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এয়ার আলী জানান, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া প্রায় ৮০০ ফিশিং বোট কূলে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হয়েছে।

ছনুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম. হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা পাওয়ার পর শনিবার বিকাল থেকে আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে যাচ্ছে এখানকার লোকজন। বিগত দিনের ছেয়ে বর্তমানে লোকজন অনেকটা সচেতন হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা কম হবে বলে আশা করছি। তারপরেও সতর্ক থাকার জন্য লোকজনদের বলা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিংয়ের মাধ্যমে লোকজনদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে গুলোতে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

The Post Viewed By: 34 People

সম্পর্কিত পোস্ট