চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১০ নভেম্বর, ২০১৯ | ২:৫৫ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভ্রাম্যমাণ স্কুল ‘হোপ ৮৭ বাংলাদেশ’ পরিদর্শনে ইউ ফাউন্ডেশনের ক্লাউডিয়া

ভ্রাম্যমাণ স্কুল ‘হোপ ৮৭ বাংলাদেশ’ পরিদর্শনে এসেছেন ইউ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া জারজার। গতকাল শনিবার দুপুরে তিনি নগরীর কল্পলোক আবাসিক এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ‘হোপ ৮৭ বাংলাদেশ’ স্কুল পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে পড়াশোনার ব্যাপারে কথা বলেন। ভ্রাম্যমাণ স্কুলের মধ্যে বিভিন্ন ক্লাসের শিক্ষার্থীরা নৃত্য পরিবেশন করে। প্রকল্পটি আর্থিকভাবে সহায়তা করেন জেডএফ হিলফ্ট ও ইউ ফাউন্ডেশন। যা বাস্তবায়ন করছে হোপ ৮৭।উল্লেখ্য, যে সব শিশুদের স্কুলে যাওয়ার সুযোগ বা সামর্থ্য নেই তাদের জন্য চট্টগ্রামে প্রথম ‘ভ্রাম্যমাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি।

২০০৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এক দল সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে প্রথম যাত্রা শুরু করে এই স্কুল। ২০১২ সালের দিকে স্কুলের দায়িত্ব নেয় ‘হোপ ৮৭’। এর আগে বাংলাদেশে এই ধরণের প্রকল্প কেউ গ্রহণ করেনি। বর্তমানে এই ভ্রাম্যমাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১৬ জনের মত শিক্ষার্থী রয়েছে।

দৈনিক পূর্বকোণে গত ২৯ আগস্ট ‘হোপ ৮৭ বাংলাদেশ’ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়া ক্লাউডিয়া জারজার দৈনিক পূর্বকোণকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিক কণা চৌধুরী ও হোপ ৮৭ বাংলাদেশের প্রতিনিধি মো. রেজাউল করিম। কল্পলোক আবাসিক এলাকা পরিদর্শনের পর বিকেলে নগরীর লালখান বাজার স্কুলে পরিদর্শনে যাওয়ার কথা থাকলেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ক্লাউডিয়া জারজার ঢাকায় ফিরে যান।

The Post Viewed By: 21 People

সম্পর্কিত পোস্ট