চট্টগ্রাম রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

২০ অক্টোবর, ২০১৯ | ১:০১ am

অনুপম কুমার অভি, বাঁশখালী

ভাঙলেই ২৭০ পরিবার হবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ধসের মুখে পাইরাংছড়া ব্রিজ বাঁশখালী

ধসের মুখে বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের পাইরাংছড়া ব্রিজ। ব্রিজটি ধসে পড়লে ইউনিয়নের ২৭০টি পরিবারের লোকজন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

জানা যায়, উপজেলার সরল ইউনিয়নের পাইরাংছড়ার ওপর ৫২ ফুট দীর্ঘ ব্রিজটি ১৯৯৬ সালে নির্মিত হয়। ওই ব্রিজটির ওপর দিয়ে পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াতসহ মুহুরীপাড়ার অন্তত ৭০টি পরিবারসহ ইউনিয়নের ২৭০ পরিবার দৈনিক হাট-বাজারসহ প্রশাসনিক নানা কাজে আসা যাওয়া করে থাকে। সেতুটির নিচ থেকে বালু উত্তোলনের কারণে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রিজটি মাঝ অংশ ধসে পড়ে। এলাকার লোকজন মালামাল পরিবহনে ১৫-১৬ বছর যাবত দুর্ভোগে পড়েছে। এ ব্রিজের ওপর দিয়ে হালকা রিকশা চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে। রোগী নিয়ে সিএনজিচালিত ট্যাক্সি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সুমন দাশ ও নুরুল আলম জানান, পাইরাংছড়ার ওপর নির্মিত ব্রিজ ব্যবহার করে চুম্মা পাড়া, লস্কর পাড়া, মুহুরী পাড়া ও পাহাড়ি এলাকায় দৈনিক হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকে। দেশের বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলেও পাইরাং ওয়ার্ডের মুহুরী পাড়া সংলগ্ন এলাকাটি যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে পিছিয়ে রয়েছে ব্রিজটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকায়। ব্রিজসংলগ্ন সড়কটিতেও ইট বিছানো হচ্ছে না। কাদামাটির ওপর দিয়ে মানুষ চলাচল করছে।

সরল ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তাক আহমদ বলেন, সেতু ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন। বয়স্ক ব্যক্তি ও রোগীদের যাতায়াতে বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। উপজেলা ওলামা লীগের সভাপতি মৌলভী আক্তার হোসেন বলেন, ২০০৫ সালের দিকে পাইরাংছড়ার ওপর নির্মিত ব্রিজটি পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে ভেঙে যায়। তারপর থেকে জনভোগান্তি চলছেই।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ চৌধুরী বলেন, এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর ডিও লেটারের মাধ্যমে এলজিইডির অধীনে প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় আশি লাখ টাকা। শিগগিরই ব্রিজটি নির্মাণে টেন্ডার আহ্বান করা হবে।

The Post Viewed By: 70 People

সম্পর্কিত পোস্ট