চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ | ২:২৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বার বার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন সার্জেন্ট আবদুল্লাহর স্ত্রী

চমেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগের সামনে গতকাল সন্ধ্যায় স্বামীর জন্য আহাজারি করতে করতে তার স্ত্রী বলছিলেন, গত বুধবার তিনি কুড়িগ্রামের বাপের বাড়ি থেকে চট্টগ্রামের বাসায় এসেছিলেন। সাথে ছোট বোনকেও নিয়ে এসেছিলেন। গ্রামের বাড়ি থেকে স্বামীর জন্য অনেক কিছু নিয়ে এসেছিলেন। গতকাল দুপুরে স্বামীর সাথে খাবারও খেয়েছিলেন। একটু কথা বলার পর বার বার অজ্ঞান হচ্ছিলেন আবদুল্লাহর স্ত্রী।

নিহতের চাচা আনোয়ার হোসেন বলেন, আবদুল্লাহ পুলিশে যোগ দিয়েছে প্রায় চার বছর। বিয়ে করেছে বছর দুয়েক হবে। তবে এখনো কোন সন্তান নেয়নি। আবদুল্লাহ ছিল পরিবারের সবার বড়। তাই তাকে নিয়ে সবার আশা-ভরসা সবচেয়ে বেশি ছিল। সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে সে চলে গেল। একথা বলতে বলতে ছোট বোন ও চাচা আনোয়ার হোসেনও অঝোরে কাঁদছিলেন জরুরি বিভাগের বারান্দায়।

এদিকে, সার্জেন্ট আবদুল্লাহ’র মৃত্যুর পর সহকর্মীদের মাঝেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বন্দর জোনের ট্রাফিক পরিদর্শক পারভেজ পূর্বকোণকে বলেন, এই মৃত্যু কোনভাবেই মানা যায় না। সিএমপি একজন প্রতিভাবান তরুণ কর্মকর্তাকে হারাল। হাসপাতালে আবদুল্লাহর লাশ এক নজর দেখতে ট্রাফিক বিভাগের অনেক কর্মকর্তা ছুটে আসেন। সন্ধ্যা ৬টা ৪০মিনিটে আবদুল্লাহ’র লাশ দেখতে আসেন সিএমপি পুলিশ কমিশনার মাহাবুবর রহমান। এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। এসময় পুলিশ কমিশনারের পাশাপাশি নগর পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। রাত ৯টায় দামপাড়া পুলিশ লাইনে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজাশেষে লাশ গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।

The Post Viewed By: 644 People

সম্পর্কিত পোস্ট