চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০২ মার্চ, ২০২১

সর্বশেষ:

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ | ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্ভাব্যতা যাচাই শীঘ্রই

মেট্রোরেলের চট্টগ্রাম মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ গঠন প্রক্রিয়া শুরু প্রস্তাবিত প্রকল্পে থাকছে তিনটি রেললাইন দৈর্ঘ্য সাড়ে ৫৪ কিলোমিটার, স্টেশন ৪৭টি

বন্দর নগরীতে মেট্রোরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) শিগগির শুরু হবে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। গতকাল সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় বন্দরনগরী চট্টগ্রামেও মেট্রোরেল করার জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের প্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন পূর্বকোণকে জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই কাজ হচ্ছে। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন থেকে যেসব তথ্য এবং সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে তার সবই দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরো চাইলে তা দেয়া হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সাথে তার নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, তবে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ গঠন হয়ে গেলে বন্দর নগরীতে মেট্রোরেল চলবে ওই কর্তৃপক্ষের অধীনে। মেয়র জানান, ঢাকা ও আশপাশের এলাকার যানজট নিরসন ও পরিবেশ উন্নয়নে আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) বা মেট্রোরেলের পরিকল্পনা, সার্ভে, ডিজাইন, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২০১৩ সালের ৩ জুন ডিএমটিসিএল গঠন করা হয়। একই আদলে চট্টগ্রামেও মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ এবং মেট্রোরেল হবে। গতকাল ওবায়দুল কাদের ঢাকায় বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন- চট্টগ্রামের মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইনের ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু করার জন্য। তার নির্দেশনা অনুযায়ী আমি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মেট্রোরেলের সাথে যারা জড়িত, তাদের বলেছি বন্দর নগরী চট্টগ্রামের জন্য অবিলম্বে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু করতে হবে।’

চট্টগ্রামে প্রস্তাবিত মেট্রোরেল প্রকল্পে তিনটি মেট্রোরেল লাইন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ এর দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ২৬ কিলোমিটার (২০টি স্টেশন), সিটি গেট থেকে নিমতলা হয়ে শাহ আমানত সেতুর গোল চত্বর পর্যন্ত লাইন-২ এর দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার (১২টি স্টেশন) এবং অক্সিজেন থেকে ফিরিঙ্গিবাজার ও পাঁচলাইশ থেকে একেখান পর্যন্ত লাইন-৩ এর দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ১৪ কিলোমিটার (স্টেশন ১৫টি)। তিনটি লাইনের মোট দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ৫৪ কিলোমিটার, স্টেশন থাকবে মোট ৪৭টি। প্রস্তাবে প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ১ হাজার ৫৪৫ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে। তবে কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রস্তাবিত লাইন স্থাপনে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার ও নির্মাণাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েকে বাধা মনে করছে প্রাক-যোগ্যতা সমীক্ষাকারী পরামর্শক প্রতিষ্ঠান।

শেয়ার করুন
  • 8
    Shares
The Post Viewed By: 396 People

সম্পর্কিত পোস্ট