চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ | ৩:২১ পূর্বাহ্ন

সৌদিআরব প্রতিনিধি

বাংলাদেশিদের ওমরাহ ভিসার আবেদন জটিলতা কাটেনি

চলতি বছর সৌদিআরবে হজ শেষে দুই মাসের বেশি সময় পার হয়ে গেলে ও ওমরাহ ভিসা নিয়ে এখনো কাটেনি জটিলতা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পবিত্র নগরী মক্কায় ও মদিনায় হাজিদের ওমরাহর কার্যক্রম শুরু হলেও নানা জটিলতার কারণে চালু হয়নি বাংলাদেশের ওমরাহ ভিসার কার্যক্রম। ওমরাহ যাত্রীদের খরচের অর্থ পাঠাতে না পারায় ভিসার আবেদন করতে পারছে না

ওমরাহর এজেন্সিগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা না পাওয়ায় ব্যাংকগুলো আন্তর্জাতিক ব্যাংক হিসাব নম্বরে (আইবিএএন) অর্থ পাঠাতে রাজি হচ্ছে না।

ধর্ম সচিব আনিছুর রহমানের তথ্য মতে এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংককেই সৌদি নির্দেশনার আলোকে আইবিএএন এ অর্থ স্থানান্তরের ব্যাপারে চিঠি দেয়া হয়েছে। দুয়েক দিনের মধ্যে আমরা আবারো বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করে চিঠি দেবো।

এদিকে এজেন্সি মালিকেরা জানিয়েছেন, ওমরাহর অন্য সব প্রস্তুতি নেয়ার পর এখন আইবিএএনে অর্থ পাঠাতে না পারায় বাংলাদেশ থেকে ওমরাহ যাত্রা শুরু করা যায়নি।

কয়েকজন এজেন্সির একাউন্টের আইবিএএন নম্বরও নিয়েছেন; কিন্তু ওই নম্বরে টাকা পাঠাতে গেলে ব্যাংক টাকা স্থানান্তরে রাজি হচ্ছে না। আরো জানা যায়, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে সৌদি সরকারের নির্দেশনাসহ লিখিত চিঠি চেয়েছে; কিন্তু ধর্ম মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত এমন চিঠি দেয়নি।

সৌদি সরকার চলতি বছর থেকে ওমরাহ যাত্রীদের ভিসা বা মোফাহ ফি, গ্রাউন্ড সার্ভিস চার্জ, পরিবহন, হোটেল খরচের টাকা এজেন্সিগুলোর নিজস্ব ব্যাংক হিসাব থেকে আইবিএএনের মাধ্যমে সৌদি আরবের নির্ধারিত ব্যাংকে স্থানান্তর বাধ্যতামূলক করেছে। অনলাইনে ওই হিসাব নম্বর থেকে খরচের এই অর্থ পরিশোধ দেখানোর পরই ওমরাহ ভিসার আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৌদি সরকারের কাছে প্রেরিত হবে। এরপর অনলাইনেই ভিসার অনুমোদন আসবে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে এই পদ্ধতিতে ইতোমধ্যে ওমরাহ যাত্রীরা সৌদি আরব গমন করেছেন বলে সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় অবস্থানরত একাধিক ওমরাহ এজেন্সির মালিক দৈনিক পূর্বকোণকে জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ধর্ম মন্ত্রণালয় গত ৩ অক্টোবর চলতি বছরের ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বৈধ ২৪৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে। বেশির ভাগ এজেন্সিই বাংলাদেশের হজ অফিস, এফবিসিসিআইসহ সংশ্লিষ্টদের অনুমোদন নেয়া এবং সৌদি ওমরাহ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হওয়াসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ স্থানান্তরের প্রক্রিয়ায় এসেই এজেন্সিগুলো আটকে আছে।

এ ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সৌদি আরবের মক্কায় কয়েকজন এজেন্সির মালিক দৈনিক পূর্বকোণকে জানান, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওমরাহ যাত্রীরা সৌদি আরব এসে ওমরাহ পালন করছেন। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আমরা সামান্য একটু জটিলতার কারণে আটকে আছি। আমাদের অনেক এজেন্সির চলতি মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে পাঠানোর জন্য পাসপোর্ট নিয়েছিলাম। কিন্তু ইতিমধ্যে অনেক পাসপোর্ট ফেরত দিতে হয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে আইবিএএনে ওমরাহর অর্থ স্থানান্তরের জন্য সৌদি হজ ও ধর্ম মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের ‘ব্যাংক আল খালিজকে নির্ধারণ করেছে।

The Post Viewed By: 89 People

সম্পর্কিত পোস্ট