চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ | ৩:২১ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব সংবাদদাতা হ বাঁশখালী

বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ কাউন্সিলরদের

বাঁশখালী পৌরসভায় দুদকের তদন্ত দল

বাঁশখালী পৌরসভা কার্যালয়ে ভিজি এফের চাল বিতরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল (মঙ্গলবার) বিকালে দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম-২ এর কর্মকর্তারা কাগজপত্র সংগ্রহ করেছেন। এ সময় ভিজিএফের চাল বিতরণ না করে গুদামে (অফিস কক্ষে) জমা রাখা এবং

মাস্টাররোলে স্বাক্ষর গ্রহণে অনিয়ম নিয়ে প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা মিলেছে। তদন্তকালীন সময়ে দুদকের কর্মকর্তারা বিভিন্ন কাজের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংগ্রহ করেন। এছাড়া তালাবদ্ধ আলমিরার ড্রয়ার ভেঙ্গে কাগজপত্র সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। তদন্ত কালীন সময়ে বাঁশখালী পৌরসভার মেয়র শেখ সেলিমুল হক চৌধুরী কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। দুদকের তদন্তকারী দল চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়ে জন্ম নিবন্ধন, প্রকল্পের কাজ ও সম্পদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।
বাঁশখালী পৌরসভার সচিব নুরুল আবছার বলেন, হটাৎ করে দুদকের কর্মকর্তারা অভিযোগ তদন্তে এসেছেন। উনারা বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি নিয়ে গেছেন।

বাঁশখালী পৌরসভার কাউন্সিলর রোজিয়া সোলতানা রোজি বলেন, দুদকের কর্মকর্তারা ঈদুল আজহা এবং ঈদুল ফিতরের সময় বিতরণ না করা চালগুলো আগামী রবিবারের মধ্যে বিতরণ করে মাস্টার রোলের প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশনা দেন। মাস্টার রোলে একই ব্যক্তির টিপসহি কেন, তা দুদকের কর্মকর্তারা জানতে চেয়েছেন। এ বিষয়ে কাউন্সিলর বলেন, ‘তালিকাভুক্ত প্রতিটি ব্যক্তিকে চাউল বিতরণ করা হয়েছে। টিপসহিরে হয়ত ভুলত্রুটি থাকতে পারে। সরজমিনে তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে’।

বাঁশখালী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন, ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিলীপ চক্রবর্ত্তী, ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. নজরুল সিকদার দুদকের তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে বাঁশখালী পৌরসভা উন্নয়ন কাজের অনিয়ম, দুর্নীতি ও আত্মসাতের বিষয়ে তুলে ধরেছেন।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক হুমায়ন কবির বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পৌরসভা কার্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় ও ভিজিএফের চাল বিতরণের অনিয়মের বিষয়টির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুদকের কর্মকর্তারা পরে চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীর কাছে জন্ম নিবন্ধনের ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে বলে জানান।

চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী বলেন, কে বা কারা দুদকে পরিষদের জন্ম নিবন্ধনের টাকা নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের ‘উদ্যোক্তা’ জাহাঙ্গীর আলম টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়েছে। তাকে ডেকে এনে টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এছাড়াও প্রকল্পের কাজ ও ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব জানতে চেয়েছেন। আমি যা যা সঠিক তাই বলেছি।

The Post Viewed By: 98 People

সম্পর্কিত পোস্ট