চট্টগ্রাম বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ | ২:৫৪ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

উচ্ছেদেও ঠেকানো যায়নি দখল

নগরীর ৩৯ নং ওয়ার্ডের বন্দরটিলা এলাকার শহীদ নুরুজ্জামান সড়কটি ব্যবহার করে প্রতিদিন কারখানায় যায় ইপিজেডের কয়েক হাজার পোশাক শ্রমিক। সড়কটির শেষে রেললাইনের সাথে লাগানো বেপজা পাবলিক স্কুলের প্রবেশ গেটটি দিয়ে ইপিজেডে ঢুকতে সময় কম লাগায় এই সড়কটি ব্যবহার করে শ্রমিকরা। তাইতো প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা জনসমুদ্রে পরিণত হয় সড়কটি। তবে ব্যস্ত এ সড়কটির একপাশ দখল করে বসানো হয়েছে দোকান। এতে পথচারিদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। দোকানগুলো খালের জায়গা দখল করে গড়ে তোলার কারণে গত কয়েকদিন আগে অভিযান পরিচালনা করে উচ্ছেদ করে দেয় সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু উচ্ছেদের কয়েক দিন পার হতে না হতে সেখানে আবারও দোকান গড়ে তুলেছে হকাররা। এজন্য প্রতিনিয়ত পাঁচ মিনিটের এই সড়কটি পার হতে ১৫ মিনিটেরও বেশি সময় লাগে বলে অভিযোগ করেন পথচারিরা।

রাশেদুল আজীজ নামে এক পথচারি বলেন, ‘আমি ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করি। আমার বাসা আয়েশার মা’র গলিতে। এখান থেকে ফ্রি- পোর্ট হয়ে অফিসে যাওয়া অনেক দূর হয়ে যায়। বন্দরটিলার শহীদ নুরুজ্জামান সড়কটির শেষে বেপজা স্কুলের যে গেইটটি আছে, ওটা দিয়ে অফিসে যেতে মাত্র ১০ মিনিট লাগে। কিন্তু এই সড়কটির একপাশ দখল করে বেশ কিছু দোকান বসেছে। যার কারণে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাঁটতে আমাদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। ছুটি হলে এই সড়কটি দিয়ে একসাথে কয়েক হাজার শ্রমিক চলা ফেরা করে। আর এসব দোকানের কারণে সড়কটি সংকীর্ণ হয়ে গেছে। যার ফলে প্রতিনিয়ত পাঁচ মিনিটের এই সড়কটি আমাদের অতিক্রম করতে সময় লাগে ১৫ মিনিটেরও বেশি।’

ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর নরুল হুদা পূর্বকোণকে বলেন, ‘সড়কটি মূল সড়ক না হলেও মূল সড়কের চেয়েও ব্যস্ত। কারণ, প্রতিনিয়ত এই সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করেন পোশাক কারখানার কয়েক হাজার শ্রমিক। এই সড়কটি দখলে নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা খুবই দুঃখজনক। আমি দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

The Post Viewed By: 146 People

সম্পর্কিত পোস্ট