চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ | ২:৫৪ পূর্বাহ্ন

সিডিএ চেয়ারম্যানের সাথে ওয়ার্ড আ. লীগ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

গত ১২ অক্টোবর ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সেবা সংস্থা এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের জনসাধারণের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভার ফলোআপ হিসেবে গতকাল (মঙ্গলবার) বিকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনের নেতৃত্বে সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ ডলফিন এর সাথে ৩৭ ও ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা সিডিএ কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় বর্ণিত ওয়ার্ডসমূহে সিডিএ কর্র্তৃক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন নানাবিধ সমস্যা এবং জনদুর্ভোগ নিয়ে আলোচনা করেন নেতৃবৃন্দ।

এ সময় ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান বলেন,

আউটার সিটি রিং রোডের আনন্দবাজারের পার্শ্ববর্তী চৌচালা অংশে একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে উত্তর দিক থেকে আসা বিভিন্ন যানবাহন অনাসায়েই আউটার সিটি রিং রোডটি ব্যবহার করে আগ্রাবাদ হয়ে মূল সড়কে চলে আসতে পারবে। এতে করে যাত্রীরা প্রয়োজনে আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এবং পোর্ট কানেকটিং রোড দুইটাই ব্যবহার করতে পারবে। ফলে যানজট অনেকাংশে কমে আসবে আর যাত্রীদের সময়ের অপচয় রোধ হবে এবং মূল সড়কটির উপর থেকে গাড়ির চাপ বহুলাংশে কমে যাবে।

নেতৃত্বদানকারী খোরশেদ আলম সুজন বলেন, সিডিএ চট্টগ্রাম নগরীকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের নগরী হিসেবে বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা চাই সিডিএ এ নগরীকে একটি বাসযোগ্য নগরী হিসেবে আগামী প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করবে। ইতিমধ্যে সিডিএ বৃহৎ বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। আশাকরি প্রকল্পগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রাম নগরী একটি আকর্ষণীয় নগরীতে পরিণত হবে।

তিনি আরো বলেন, ৩৭ ও ৩৮নং ওয়ার্ডের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে জনদুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে।

তিনি আরো বলেন, আউটার সিটি রিং রোডটি রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলে রিং রোডটি দিয়ে হাজার হাজার গাড়ি চলাচল করবে। তাই রিং রোডের স্থায়ীত্ব ধরে রাখতে রিং রোডের ভিতরের অংশে প্রতিরোধক দেওয়াল নির্মাণ করার জন্য সিডিএ চেয়ারম্যানের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। তিনি বন্দর পতেঙ্গা এলাকার মানুষের চিকিৎসার সুবিধার্থে সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় নির্মিতব্য মার্কেটটিকে একটি মাতৃসদন কাম সমন্বিত হাসপাতালে রূপান্তর করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান।

সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ ডলফিন বলেন, এ প্রতিষ্ঠান জনগণের প্রতিষ্ঠান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন জনগণের পক্ষে কাজ করার জন্য। আপনাদের যে কোন প্রয়োজনে অত্র প্রতিষ্ঠানের দরজা খোলা থাকবে সবসময়। তিনি নেতৃবৃন্দের উপস্থাপিত প্রতিটি দাবি বিশেষভাবে বিবেচনা করার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, আনন্দবাজারের পার্শ্ববর্তী চৌচালা অংশে আউটার সিটি রিং রোড থেকে একটি বিকল্প সংযোগ সড়ক নির্মিত হলে নগরীর যানজট অনেকাংশে কমে আসবে একথা বাস্তবিক অর্থেই সত্যি। এজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন জনাব ডলফিন। তিনি আরো বলেন, সিডিএ’র অর্থায়নে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে মহেশখালের উপর একটি অত্যাধুনিক স্লুইসগেট নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, রিং রোডের অধিগ্রহণের জায়গা জমির বিপরীতে যারা দীর্ঘদিন ধরে মামলার অজুহাতে টাকা পাচ্ছেন না তাদের ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজি জহুর আহমদ কোম্পানি, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. ইলিয়াছ, ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. হাসান, মনজুর কাদের, হাজি মো. হোসেন, মোরশেদ আলম, সাহেদ বশর, এম.এ ওয়াহেদ জিয়া, শাহাজাহান শরিফ, হাজি আব্দুল মন্নান, ইব্রাহিম ইসলাম প্রমুখ।-বিজ্ঞপ্তি

The Post Viewed By: 130 People

সম্পর্কিত পোস্ট