চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ | ১:৩৮ পূর্বাহ্ন

মফস্বল ডেস্ক

সমাপনী অনুষ্ঠানে আয়োজিত সভায় বক্তারা

প্রবারণাও এখন বাঙালির উৎসব

উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দু’ দিনব্যাপী প্রবারণা উৎসব সম্পন্ন হয়েছে ১৪ অক্টোবর এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রবারণাও এখন বাঙালির উৎসবে পরিণত হয়েছে।

রামু: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, ১৪ অক্টোবর বিকালে রামুর বাঁকখালী নদীতে অনুষ্ঠিত জাহাজ ভাসা উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি। তিনি বলেন, সম্প্রীতির বন্ধনে জাহাজভাসা উৎসব এখন মিলনমেলায় পরিণত। যারা সম্প্রীতি রক্ষা করে, তাদেরই বিজয় আজ। যারা বৌদ্ধ সম্প্রীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিল, তারা আজ পরাজিত। সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণের এ উৎসবের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক চেতনা চর্চা হচ্ছে রামুতে। তিনি বলেন, জাহাজভাসা উৎসব শুধু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাই। এই উৎসব সকল ধর্মের মানুষের উৎসব, বাঙালির উৎসব।

জাহাজভাসা উৎসব উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। রামু কেন্দ্রীয় প্রবারণা পূর্ণিমা ও জাহাজভাসা উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি জ্যোতির্ময় বড়–য়া রিগ্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী সম্পাদক মুন্নী সাহা, কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আদিবুল ইসলাম, রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়–য়া, সহকারী কমিশনার (ভূমি) চাই থোয়াইলা চৌধুরী, রামু থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের, ওসি (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি এড. দ্বীপংকর বড়–য়া পিন্টু, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা প্রমুখ।

জেলা-উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের হাজারো বৌদ্ধ নরনারী ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর উপস্থিতিতে জাহাজ ভাসানো উৎসবের মূল আনন্দায়োজনে রামুর বিভিন্ন বৌদ্ধ গ্রামের ১০টি কল্প-জাহাজ অংশ নেয়। উৎসবে পূজনীয় প-িত সত্যপ্রিয় মহাথের’র মহাপ্রয়াণ স্মরণে কালো ব্যাজ ধারণ ও কল্প জাহাজে কালো পতাকা উড়ানো হয়। সন্ধ্যায় নদীতে প্রদীপ ভাসানো ও আকাশে ফানুস উড়ানোর মাধ্যমে পুণ্যার্পণ করা হয়।

পটিয়া বৌদ্ধ বিহার: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, পটিয়া বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধদের ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা রবিবার সন্ধ্যায় পটিয়া বিহার অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠাতা ড. সংঘপ্রিয় মহাথেরো’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ। বক্তব্য রাখেন বুদ্ধ সেবক ভিক্ষু শ্রদ্ধাপ্রিয়, জ্যোতি মঙ্গল শ্রামন, মনোরঞ্জন বড়–য়া। সভায় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি মুহাম্মদ সৈয়দ চেয়ারম্যান, পৌর কাউন্সিলর রূপক কুমার সেন, আবু ছৈয়দ, খোরশেদ গণি, অধ্যাপক অভিজিৎ বড়ুয়া মানু, অধ্যাপক ভগীরথ দাশ, ২ নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি সনজিত দাশ, সাধারণ সম্পাদক গাফফারুল বশর মনু, সাজ্জাদ হোসেন সুমন, নাজিম উদ্দিন বাহাদুর, গৌতম চৌধুরী, পরিতোষ বড়ুয়া।

রাজস্থলী: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, উপজেলার ৫১টি বৌদ্ধ বিহারে ২৫.৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ৫১টি বৌদ্ধ বিহারে ৫০০ কেজি করে মোট ২৫.৫ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

The Post Viewed By: 106 People

সম্পর্কিত পোস্ট