চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯

১০ অক্টোবর, ২০১৯ | ১:৪৫ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঘনবসতিপূর্ণ প. বাকলিয়ার জনজীবন ও সম্পদ ঝুঁকিতে

জনবহুল এলাকাগুলোর মধ্যে নগরীর পশ্চিম বাকলিয়া এলাকাটি অন্যতম। এখানে দোতলা থেকে শুরু করে বারো তলা বিশিষ্ট ভবন ও ঘনবসতিপূর্ণ বস্তিও আছে। আর দেখা যায় এই ভবন ও বস্তিুগুলো একটা আরেকটার সাথে লাগানো। আবার কিছু কিছু জায়গায় বস্তিগুলো এতো বেশি ঘনবসতিপূর্ণ যে আগুন লাগলে সেখান থেকে বের হওয়ার পথও নেই। এই জনবহুল এলাকার জীবন ও সম্পদ রয়েছে ঝুঁকিতে। এখানকার বেশিরভাগ বহুতল ভবনে নেই কোন অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম। আবার হাতে গোনা কয়েকটা ভবনে অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম দেখা গেলেও সেগুলো অকেজো। ওয়ার্ডের রসুলবাগ আবাসিক এলাকা, শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটি, ব্যাংক কলোনী, সবুজবাগ আবাসিক এলাকা ও ডি.সি রোড এলাকার চিত্র এটি। এই বিষয়ে রসুলবাগ আবাসিকের বাসিন্দা আসাদুজামান বলেন, কিছুদিন আগে এখানে ইউনুছ-ইউছুফ কলোনীতে আগুন লেগেছিল। সেই আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের বেগ পেতে হয়েছিল। কারণ সড়ক প্রশস্ত না হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভিতরে ঢুকতে পারেনি। আগুন ছড়িয়ে পড়ায় কেউ মারা না গেলেও কলোনীর বাসিন্দাদের সম্পদের অনেক ক্ষতি হয়েছিল। সৈয়দ শাহ রোড এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম ভবনের মালিক শাহ আলম বলেন, এলাকার বড় বড় ভবনগুলো একটার পিঠের সাথে অন্যটা লাগানো। যদি কোনো কারণে আগুন লাগে তাহলে পাশের ভবনেও আগুন লেগে যাবে। শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আনিচ ওয়ারেসী বলেন, ৯০ ভাগ ভবনেই কোন ফায়ার ইকুইপমেন্ট নেই। প্রতিটি বাড়িওয়ালার এ বিষয়ে আরো সচেতন হওয়া উচিত। এই ভবনগুলোতে আগুন লাগলে ভবনে থাকা মানুষগুলোও সহজে বের হতে পারবে না। এতে অনেক প্রাণহানির আশংকা আছে। তাই সময় থাকতে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে আমি মনে করি।

The Post Viewed By: 368 People

সম্পর্কিত পোস্ট