চট্টগ্রাম শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯

৯ অক্টোবর, ২০১৯ | ৩:২৭ পূর্বাহ্ণ

ইফতেখারুল ইসলাম

বন গবেষণাগার এলাকা

সুকৌশলে পাহাড় সাবাড়

প্রতিদিন অল্প করে কাটা হচ্ছে পাহাড়। কাটা মাটি বস্তায় ভরে ভ্যানে করে দূরে ফেলা হচ্ছে। এ যেন ইঁদুরের গর্ত খোঁড়ার মত কৌশল। নগরীর ষোলশহর স্টেশন সংলগ্ন বন গবেষণাগারের বিশালাকারের পাহাড়টি প্রতিনিয়ত এভাবে কাটা হচ্ছে। এ কৌশল খুব কাজ দিয়েছে। প্রতিদিন অল্প করে কাটার কারণে কেউ বাধাও দিচ্ছে না।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন চশমা হিল তিন নম্বর সড়কের শেষ মাথায় বন গবেষণাগারের পাহাড়টি দীর্ঘদিন ধরে কাটা হচ্ছে। জনৈক নুরুল হুদা পাহাড় কাটছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এলাকাবাসী জানান, বর্ষাকালে পাহাড়ের মাটি কেটে অল্প অল্প করে ড্রেনে ছেড়ে দেয়া হয়। ড্রেনের মাধ্যমে সে মাটি খালে এসে পড়ে। এ কারণে চশমা খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হলে চার-পাঁচজন শ্রমিককে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োগ দেন। এভাবে পাহাড়টির বেশকিছু অংশ কেটে কাঁচাঘর নির্মাণ করা হয়েছে। গতকালও চারজন শ্রমিক কর্তৃক পাহাড় কেটে ভ্যানে করে মাটি আনার বিষয়টি পূর্বকোণের এ প্রতিবেদককে স্থানীয়রা দেখিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটু একটু করে পাহাড় কেটে বন গবেষণাগারের অনেক জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। রহস্যজনক কারণে গবেষণাগার কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেয়ার আগ্রহ দেখায় না।
জানতে চাইলে বন গবেষণাগারের নির্বাহী কর্মকর্তা নাদিম সরোয়ার পূর্বকোণকে বলেন, যেখানে কাটা হচ্ছে বন গবেষণাগারের পাহাড়ের সেই অংশটি নিয়ে নুরুল হুদার সাথে মামলা চলছে। তাই গবেষণাগার কর্তৃপক্ষ ওই জায়গাটি নিয়ে কথা বলতে পারছে না।
জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (মেট্রো) আজাদুর রহমান মল্লিক পূর্বকোণকে বলেন, সেখানে পাহাড় কাটার বিষয়টি তাদের জানা ছিল না। পাহাড় কর্তনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

The Post Viewed By: 919 People

সম্পর্কিত পোস্ট