চট্টগ্রাম রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯

সর্বশেষ:

৮ অক্টোবর, ২০১৯ | ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ

মফস্বল ডেস্ক

বিসর্জনে শেষ হচ্ছে দুর্গোৎসব

উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চলছে দুর্গোৎসব। এ উপলক্ষে পূজা-অর্চনা পালন ছাড়াও আলোচনা সভা ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালনেই দেশে বিরাজ করবে শান্তি। আসুরিক প্রবৃত্তি দমনেই পূজার সার্থকতা।

পশ্চিম রাউজান পল্লী জনকল্যাণ সমিতি: রাউজানের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, সমিতির উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসবের পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারী শুভাশীষ সিংহা, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা, উপজেলা চেয়ারম্যান এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আবদুল ওহাব, সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, কাজী মো. ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন চৌধুরী, ২য় প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, জেলা পূজা উদপান পরিষদে সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের প্রিয়তোষ চৌধুরী, কাউন্সিলর এডভোকেট দিলীপ কুমার চৌধুরী, কাউন্সিলর এডভোকেট সমীর দাশগুপ্ত, সাংবাদিক নিরুপম দাশগুপ্ত, বক্তব্য দেন ডা. সুজিত দত্ত, সংগঠনের সভাপতি সঞ্জিত মল্লিক ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দে।

বাঁশখালী: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, বাঁশখালীতে সাড়ম্বরে উদ্যাপিত হচ্ছে। ৫ অক্টোবর রাতে উপজেলার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেন সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। এ সময় উপজেলার শেখেরখীল সার্বজনীন হরিমন্দিরে প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার, শেখেরখীল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইয়াছিন, বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজুল ইসলাম, পুঁইছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান চৌধুরী, শেখেরখীল সার্বজনীন দুর্গোৎসব পরিচালনা কমিটির সভাপতি দুলাল মহাজন প্রমুখ।

চকরিয়া: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, গত শনিবার রাতে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম দিগরপানখালী ধরপাড়া সার্বজনীন দুর্গা উৎসব উদযাপন পরিষদ ও হরি মন্দির উন্নয়ন কমিটির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয় এমপি আলহাজ জাফর আলম, ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীকে। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চকরিয়া পৌরসভা শাখার সভাপতি নারায়ণ কান্তি দাশের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমিনুর রশিদ দুলাল, চকরিয়া প্রেস ক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক মুকুল কান্তি দাশ, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মো. আবু মুছা ও রনজিত দাশ। সংবর্ধিত প্রধান অতিথি জাফর আলম এমপি ও সংবর্ধিত বিশেষ অতিথি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীকে স্বর্ণের তৈরি নৌকা উপহার দেন পূজা কমিটির নেতা বিধান ধর, চকরিয়া শিল্প কারিগর সমিতির সাবেক সভাপতি রতন ধর (মহাজন), কৃষ্ণ ধর (মহাজন), গগণ ধরসহ মন্দির উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

চন্দনাইশ বরমা হরি মন্দির: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, উপজেলার বরমা হরি মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ করেন নজরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি। ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় এ উপলক্ষে বলরাম চক্রবতী’র সভাপতিত্বে সভায় আলোচনায় অংশ নেন আ.লীগ নেতা যথাক্রমে আবুল বশর ভূঁইয়া, মাস্টার আহসান ফারুক, মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসুল ইসলাম খান, উৎপল রক্ষিত, আবুল কাশেম বাবলু, চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রধান শিক্ষক বিষ্ণু যশা চক্রবতী, যুবলীগ নেতা এস.এম মুছা তসলিম, লোকমান হাকিম, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী কায়সার, কৃষ্ণ চক্রবতী, কৃষক লীগের সভাপতি মাস্টার হুমায়ুন কবির, সাধাণ সম্পাদক নবাব আলী, পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা যথাক্রমে ডা. কাজল বৈদ্য, পরিমল দেন, বিকাশ দে, অলক দে, অমিতাভ চৌধুরী টিটু প্রমুখ।

পটিয়া: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, পটিয়ায় এবার ভারতের রাজ মন্দিরের আদলে পূজাম-প তৈরি করে শারদীয়া দুর্গাপূজা করা হচ্ছে। পটিয়া পৌরসদরের ২ নং ওয়ার্ডে মিলন মন্দির সমিতির উদ্যোগে জগৎনাথ বাড়ির মন্দিরে আয়োজিত পূজা দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা ভিড় করছেন। রবিবার মহাঅষ্টমীতে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার নারী ও পুরুষ ভক্তরা এ দুর্গা প্রতিমা দেখতে ভিড় করেন। জানা গেছে, প্রতি বছর পটিয়া মিলন মন্দির সমিতির জগৎনাথ মন্দিরে ভিন্ন ও দৃষ্টিনন্দন দুর্গাপূজা করা হয়। রাজ মন্দিরের আদলে পূজাম-পের প্যান্ডেল তৈরির পরিকল্পনা ও ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন স্থানীয় দেবশীর্ষ চক্রবর্ত্তী। তিনি জানিয়েছেন, প্রায় দেড় মাস ধরে ১০ জন শ্রমিক দিয়ে ম-প ও প্রতিমা তৈরির কাজ করা হয়েছে। ম-পের ভিতরে ও বাইরে আলোকসজ্জা, বিভিন্ন নক্সা, কারুকাজ ছাড়াও দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজ মন্দিরের আদলে দুর্গা প্রতিমার ম-প তৈরি করা হয়েছে। পটিয়া উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এবার ১৮৩টি পূজাম-পে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। সুচক্রদ-ী মিলন মন্দির সমিতির সহ-সভাপতি দেবশীর্ষ চক্রবর্ত্তী জানিয়েছেন, ভারতের রাজ মন্দিরের আদলে পূজাম-প তৈরি করায় বিভিন্ন এলাকার লোকজন তা দেখতে ভিড় করছেন। প্রতিবারেই তারা ভিন্ন আয়োজনে দুর্গাপূজা করে থাকেন। জগৎনাথ মন্দির ছাড়াও পটিয়া উপজেলা ও পৌর সদরে বড় আয়োজনে বেশ কয়েকটি দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তার মধ্যে মুজাফরাবাদের দুর্গা বাড়ি মন্দির, পৌর সদরের রামকৃষ্ণ মিশন, থানার মোড়ের গৌরাঙ্গ নিকেতন দুর্গা বাড়ি, পল্লী মঙ্গল দুর্গা বাড়িসহ কয়েকটি রয়েছ। জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আ.ক.ম. শামসুজ্জামান চৌধুরী, পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ ছাড়াও পৃথকভাবে দক্ষিণ জেলা আ’লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির, সেলিম নবী, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেন এবং পূজাম-পে অনুদান প্রদান করেন। পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, উপজেলায় এবার যেসব দুর্গাপূজাম-প রয়েছে তাতে পুলিশ, আনসার, গ্রামপুলিশ ছাড়াও র‌্যাব সদস্যরা টহলে রয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন করতে থানা প্রশাসন প্রতিটি এলাকায় দায়িত্বে রয়েছেন।

বাগোয়ান গশ্চি আগমনী সংঘ: রাউজানের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, আগমনী সংঘ সার্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির ও শ্রী শ্রী লোকনাথ মন্দিরের উদ্যোগে সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শনিবার রাতে মন্দির মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংবর্ধিত অতিথিরা ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান ভুপেশ বড়–য়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ মোজাফফর হোসেন, দক্ষিণ রাউজান পূজা উদযাপন পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি প্রকাশ শীল ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ম্যালকম চক্রবর্তি। সংগঠনের সভাপতি অঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন চন্দন কুমার বিশ্বাস, স্বপন চৌধুরী, খোকন সেন, উদয় দত্ত অর্ক মেম্বার, চম্পক মিত্র মেম্বার, অজিত বিশ্বাস মেম্বার, রুবেল বৈদ্য। বক্তব্য দেন জীবন দাশ, গৌতম দাশ, পিকলু দাশ প্রমুখ।

হাবিলাসদ্বীপ রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম: সেবাশ্রমে নবনির্মিত দুর্গা মন্দির উদ্বোধন ও শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আশ্রমের সভাপতি অরূপ কুমার সেনগুপ্তের সভাপতিত্বে আশ্রম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ভূমিদাতা সদস্য ভারতপ্রবাসী অরূপ সেনগুপ্ত। প্রধান অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। প্রধান ধর্মীয় আলোচক ছিলেন নাট্য পরিচালক সুদর্শন চক্রবর্ত্তী। আশ্রমের সহ-সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন চৌধুরী, দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি নুরুল হাকিম, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ চৌধুরী, ৫ নং হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মৃদুল কান্তি নন্দী, সাধারণ সম্পাদক আবু মোহাম্মদ আবছার, কাজল কান্তি দত্ত, রূপন কান্তি দাশগুপ্ত, পীযুষ কান্তি দাশগুপ্ত, দীপাল কৃষ্ণ মহাজন, সুজিত সেন ও কাঞ্চন মজুমদার। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক তিলেকেশ্বর বিশ্বাস। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রদীপ কুমার চৌধুরী, সুপাল কৃষ্ণ মহাজন, সনজয় সেনগুপ্ত, সম্পাদক রাজীব দাশ রাজু প্রমুখ।

গুইমারা: উপজেলার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আসনের সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ বাসন্তী চাকমা। ৬ অক্টোবর বিকেলে দুর্গাপুজার অষ্টমীতে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ পার্বত্যবাসীকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমা, উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা, ইউএনও তুষার আহম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ঝর্ণা ত্রিপুরা, গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ বিদ্যুৎ বড়–য়া প্রমুখ।

রাজস্থলী: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, উপজেলার তিনটি পূজাম-পে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পূজাম-প শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ম-পগুলো কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তায় রয়েছেন পুলিশ, আনসার ভিডিপি। তিনটি পূজাম-পের মধ্যে একটি রাজস্থালী বাজার শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে এবং অন্য দুইটি বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে বাঙ্গালহালিয়া বাজার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির ও ছাগলখাইয়া শ্রী শ্রী কৃষ্ণ মন্দিরে। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শম্ভুনাথ বনিক বলেন, পূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৈনিক পূজা ম-পগুলোর খোঁজ খবর নিচ্ছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ ছাদেক বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

The Post Viewed By: 73 People

সম্পর্কিত পোস্ট