চট্টগ্রাম রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯

সর্বশেষ:

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ২:২১ পূর্বাহ্ণ

কায়াশৈলী শিল্পীদের প্রথম পরিবেশনায় মুগ্ধ দর্শক কায়া আশ্রম নিবেদিত নৃত্যানুষ্ঠান

আজকের শিশু আগামীর কা-ারী। তাই ছোট থেকেই শিশুকে সঠিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিক্ষার মাধ্যমে মানবিক গুণে গড়ে তুলতে হবে। সংস্কৃতি এমন একটি মাধ্যম যেখানে একজন শিশুকে সঠিক মানসিক বিকাশ লাভে সাহায্য করে। বর্তমান বাংলাদেশে অহরহ দেখা যায় বৃদ্ধ বাবা-মার ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রম। সন্তানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছে ঠিকই কিন্তু মানবিক শিক্ষা দিতে পারেনি। তাই সেই সন্তানই বাবা-মাকে বৃদ্ধ বয়সে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠায়। এসব হওয়ার মূল কারণ একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক শিক্ষার অভাব। তাই একটি দেশে কায়াশৈলীর মত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের খুব প্রয়োজন। কায়া আশ্রম নিবেদিত কায়াশৈলী নৃত্যানুষ্ঠানে অতিথিরা একথা বলেন। গতকাল সন্ধ্যা সাতটায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কায়া আশ্রম নিবেদিত উপমহাদেশের ধ্রুপদী ঘরানার নির্বাচিত নৃত্যের সংশ্লেষাত্মক প্রযোজনা কায়াশৈলী নৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। আলোক প্রজ¦লনের মাধ্যমে নৃত্যানুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, ইউনিভার্সেল গ্যাস এন্ড সিলিন্ডার লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান সাজু ও নুরজাহান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহম্মেদ। অনুষ্ঠানে অনিন্দ্য ব্যানার্জি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চিরকালই একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল, আর এখনো আছে। সাংস্কৃতিক চর্চায় বাংলাদেশ ও ভারত প্রায় একি রকম। দুইদেশের বহমান ধারাও একিরকম। এদেশের সন্তানরাই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করছে দেশে-বিদেশে। বর্তমানে বাংলাদেশের সাংস্কৃতির মান খুব প্রশংসনীয়।

বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও ভারতের রবীন্দ্রভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক শিক্ষা লাভ করতে যাচ্ছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এই ধারা বহমান থাকুক। অনুষ্ঠানে কায়াশৈলীর মুখ্য প্রশিক্ষক ও গবেষক অমিত চৌধুরী অতিথিদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন ও উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন। এসময় অনুষ্ঠানে তিন গুণী নৃত্যশিল্পী কৃষ্ণা বিশ্বাস, শৈবাল সেন রুপক ও তরুণ চক্রবর্তীকে সম্মাননা প্রদান করেন। অতিথিরা গুণীশিল্পীদের হাতে ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন। আলোচনা পর্ব শেষে কায়া আশ্রম নিবেদিত উপমহাদেশের ধ্রুপদী ঘরানার নির্বাচিত নৃত্যের কায়াশৈলীর শিল্পীরা প্রথমবারের মত মঞ্চে তাদের নৃত্য পরিবেশন করেন। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন কায়া আশ্রমের মুখ্য প্রশিক্ষক ও গবেষক অমিত চৌধুরী। একে একে শিক্ষার্থীরা একক ও দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন।

The Post Viewed By: 101 People

সম্পর্কিত পোস্ট