চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯

সর্বশেষ:

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

এম এম আহমদ মনির, লোহাগাড়া

পুটিবিলার সরই খালের বিধ্বস্ত ব্রিজ দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নস্থ এমচরহাট-কেয়াজুর পাড়াগামী সড়কে সরই খালের বিধ্বস্ত ব্রিজ পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থায় ভোগান্তির শিকার স্থানীয় জনগণ।

২০০৩ সালের প্রথমার্ধ্বে ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যরে গার্ডার ব্রিজটি নির্মিত হয়। ফলে, গ্রীষ্ম ও বর্ষায় খাল পারাপারে সুবিধা লাভ করেন এলাকাবাসী। একই সাথে ক্ষুদ্র যানবাহন চলাচলও শুরু হয় পুরোদমে। এমচরহাট-কেয়াজুপাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফোটে তখন। অপরদিকে, শাকসবজি ও তরিতরকারি উৎপাদনকারীরা তাদের পণ্য-সামগ্রী

বাজারজাতকরণ, পরিবহনে উপকৃত হন। যাত্রীবাহী ও মালামালভর্তি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের যানবাহন যাতায়াত করতে পারায় এলাকাবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। কিন্তু, ২০১০ সালে অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা দেখা দেয়। এতে বানের পানির প্রবল স্রােতে উক্ত ব্রিজটি বিধ্বস্ত হয়ে ধসে পড়ে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপন্ন হয়। খাল পারাপারে দুর্ভোগের সম্মুখীন হন পথচারী ও যানবাহন চালকেরা। বর্ষার নরক যন্ত্রণায় লোকজন খাল পারাপারে দিশেহারা এখন। বহু দূর হেঁটে বহু পথ পেরিয়ে এমচরহাট, কেয়াজু পাড়া বাজার ও উপজেলা সদর বটতলী মোটর স্টেশনে আসতে হয়। পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রাম্য দোকান ও হাট-বাজারে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর দাম বেড়ে যায়। স্থানীয়দের উদ্যোগে খরায় বা গ্রীষ্মকালে দেয়া হয় কাঠ-বাঁশের জোড়া-তালি সাঁকো। গ্রীষ্মকালে এ সাঁকোর ওপর দিয়ে মানুষ পারাপার হলেও বর্ষাকালে সম্ভব হয় না। যে কারণে এলাকাবাসী বর্ষাকালে যাতায়াত ব্যবস্থায় খাল পারাপারে মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হন। এলাকার মুক্তিযোদ্ধা আবদুস ছালাম জানান, উক্ত বিধ্বস্ত সেতু পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় এলাকার জনগণ উক্ত খাল পারাপারে যাতায়াত সমস্যার সম্মুখীন। তাই তিনি ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে পুটিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান হাজী ইউনুচের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। শীঘ্রই টেন্ডার হতে পারে।

The Post Viewed By: 63 People

সম্পর্কিত পোস্ট