চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ২:১৫ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রার্থী না থাকলেও ফ্যাক্টর বিএনপি

কধুরখীল ইউপি নির্বাচন

বোয়ালখালীর কধুরখীল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মাঠে নেই বিএনপি। অথচ ১৭ বছর ধরে চেয়ারম্যান ছিলেন বিএনপিদলীয়। বিএনপি মাঠে না থাকলেও নৌকা প্রতীক নিয়ে ইতোমধ্যেই ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগ। তবে ভোটের মাঠে দলীয় প্রার্থী না থাকলেও এখন ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী থাকায় কদর বেড়েছে বিএনপির। আগামী ১৪ অক্টোবর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটের ডামাডোল শুরু হবে। নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের আগে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালানোর উপর বিধি-নিষেধ রয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ প্রতীক বরাদ্দের আগেই উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা করে নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়েছে। দলীয় সূত্রে প্রকাশ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা সদর গোমদ-ী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে। আর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয় কধুরখীল জলিল-আম্বিয়া কলেজে। জলিল আম্বিয়া কলেজ হচ্ছে নির্বাচনী এলাকায়। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী এলাকায় সভা করতে হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন নিতে হয়। দুটি সভায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কধুরখীল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়েছে। সভা ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিচ্ছে দলীয় নেতাকর্মীরা। এদিকে, ১৭ বছর ধরে চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিচ। এবার বিএনপি দলীয়ভাবে কোন প্রার্থী দিতে পারেনি। নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। উপজেলা বিএনপি সভাপতি মোস্তাক আহমদ খান বলেন, ‘বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. ইদ্রিচকে দলীয় সমর্থন দিয়েছি। কিন্তু মনোনয়নপত্র দাখিলের কয়েক ঘণ্টা আগে জানলাম তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করছেন না। এতে দল আশাহত হয়েছে। দলের অনেক যোগ্য প্রার্থী ছিল। বর্তমান চেয়ারম্যান ও দলের সভাপতি হিসেবে

তাকে আমরা মনোনয়ন দিয়েছিলাম।’ চেয়ারম্যান পদে ৫ জনের মধ্যে চারজনই আওয়ামী লীগ ঘরনার। দলীয় প্রতীক নৌকা পেয়েছেন শফিউল আজম শেফু। অন্য প্রার্থীরা হলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজীব চক্রবর্তী, রেজাউল করিম খোকন, মুক্তযোদ্ধা আবদুল মালেক ও আ জ ম মুছা। ইতিমধ্যে নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করার জন্য দলীয় প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের একাট্টা করার চেষ্টা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার পর্যন্ত। তবে রাজীব চক্রবর্তী ও রেজাউল করিম খোকন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানান তাদের ঘনিষ্ট সূত্র। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত কধুরখীল ইউনিয়নে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন ভোটের আগেই মাঠে রাজনীতি জমে ওঠেছে। বিএনপি কোন প্রার্থীকে সমর্থন দিলে পাল্টে যাবে ভোটের হিসাব-নিকাশ।

The Post Viewed By: 152 People

সম্পর্কিত পোস্ট