চট্টগ্রাম বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১:০৫ এএম

বিশ্বজিৎ রাহা, ফটিকছড়ি

অক্ষত নেই নাজিরহাট-কাজিরহাট গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কোথাও

প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে ফটিকছড়ির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়ক।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তাটির ১৬কি.মি. দৈর্ঘ্যরে মধ্যে এক কি.মি অংশও ক্ষত ছাড়া অক্ষত নেই।। পুরো রাস্তা জুড়ে অন্তত হাজার খানেক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তির অন্ত নেই বলে জানান বারমাসিয়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক এবাদুল হক। নাজিরহাট কলেজের পাশ থেকে শুরু হয়ে সড়কটি ফটিকছড়ির সুয়াবিল ইউনিয়ন হয়ে হারুয়ালছড়ি কাজিরহাট পর্যন্ত মোট ১৬ কি.মি. সড়কের একশ মিটার রাস্তাও ভালো নেই। সড়কটির কার্পেটিং তথা পীঠের ছাল বাকলা উঠে গিয়ে অসংখ্য খানা খন্দকে ভরে গেছে। অথচ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন সুয়াবিল, হারুয়ালছড়ি, পাইন্দং, সুন্দরপুর, ভূজপুর, নারায়ণহাটসহ সমগ্র উত্তর ফটিকছড়ির হাজার হাজার মানুষ যাতায়ত করে। এছাড়া সড়কটি কাজিরহাট বাজার থেকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মানিকছড়ি উপজেলার গাড়ীটানা এলাকায় চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের সাথে যুক্ত, ফলে রাস্তাটি উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হিসেবে বিবেচিত। এটি দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ ফটিকছড়ির মানুষের ব্যবসায়িক যোগাযোগের পাশাপাশি নাজিরহাট কলেজ, বারমাসিয়া হাইস্কুল, হারুয়ালছড়ি হাইস্কুল, ভূজপুর ন্যাশনাল হাইস্কুল এন্ড কলেজসহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ সড়কে নিয়মিত যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। সুয়াবিল এলাকার সমাজসেবক জয়নাল আবেদীন, সমাজ সেবক সুমন শিকদার, সাধন চৌধুরী, স্থানীয় সাংবাদিক সাইফুর রহমান সোহান স্কুল শিক্ষিকা সাথী আক্তার প্রমুখ সড়কটি অবিলম্বে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে এলজিইডির ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী (অ.দা.) প্রতিপদ দেওয়ানের নিকট জানতে চাইলে তিনি সড়কটি সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প তৈরি করে তা বরাদ্ধের জন্য ঊর্ধ্বতন মহলের নিকট পাঠানো হয়েছে বলে জানান। বরাদ্ধ পেলে সড়কটি সংস্কার করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

The Post Viewed By: 80 People

সম্পর্কিত পোস্ট