চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

অনুপম কুমার অভি, বাঁশখালী

প্রধান সড়কের ১৬ স্থানে বিশাল গর্ত

সড়ক ভেঙে পুকুর

বাঁশখালী

চট্টগ্রাম-বাঁশখালী সড়কের পুঁইছড়ি প্রেমবাজার ও নাপোড়া এলাকায় প্রধান সড়কটি ভেঙে গিয়ে পুকুরে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও প্রধান সড়কের ১৬টি স্থানে বিশাল বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। জমাটবাঁধা পানি অতিক্রম করে যাত্রীবাহী যানবাহন ভাঙন অংশ দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে বিকল হয়ে পড়ছে। এতে বাজারে অবস্থানরত ব্যবসায়ীদের ক্ষতির পাশাপাশি যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

দোহাজারী সড়ক বিভাগের অধীনে চট্টগ্রাম-বাঁশখালী পিএবি সড়কের বিভিন্ন অংশে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ ফুট প্রশস্ত রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ হয়েছে। সড়কের অধিকাংশ স্থানে সংস্কারের কাজ না হওয়ায় কালিপুর হাইস্কুলের সামনে, ছপিরের দোকান, বৈলছড়ি হামেদিয়া মাদরাসা ও মহিলা কলেজের সামনে, পাইরাং, দেলা মিয়ার দোকান, রামদাস হাট, মিয়ার বাজারের উত্তর অংশে, দক্ষিণ জলদী দারগাবাজার, মুনছুরিয়া বাজার, প্রেমবাজার, সিকদার দোকান, শেখেরখীল রাস্তার মাথা, নাপোড়া বাজারের উত্তর ও দক্ষিণ অংশ এবং প্রেমবাজারের দক্ষিণ অংশে বিশাল আকারের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দোহাজারী সড়ক বিভাগের অধীনে সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কার হয়নি। যে সমস্ত অংশ ভাল ছিল, সেই অংশটুকু টেন্ডার আহ্বান করে ঠিকাদারের মাধ্যমে সংস্কার করা হয়েছে। তৈলার দ্বীপ ফেরিঘাট হতে টৈটং পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশে সংস্কার কাজ হয়নি। বাঁশখালীর প্রধান সড়কটি ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়েছে। পায়ে হেঁটে চলাচল করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে। গর্তের মধ্যে পা পড়ে দুর্ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে।

বাসচালক আবুল কালাম জানান, বাঁশখালীর প্রধান সড়কটির অবস্থা খুবই নাজুক। যাত্রীরা গন্তব্যে যাত্রাকালীন সময়ে গর্তের মধ্যে চাকা পড়লে চিৎকার শুরু করে দেন। গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেঙে মালিকপক্ষের ক্ষতি হচ্ছে। গাড়িও অচল অবস্থায় ফেলে রাখা হচ্ছে। ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ গাড়ি থেকে পড়ে যাচ্ছে।

বাঁশখালী সড়কে চলাচলরত সিএনজি চালক নুর হোসেন বলেন, ছোট গাড়িগুলোতে রাস্তার গর্তের কারণে ১০ মিনিটের জায়গায় ৩০ মিনিট সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। রোগী পরিবহনে ছোট গাড়িগুলো ব্যবহার হলেও ভোগান্তি বেড়েছে।

বাঁশখালী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম জানান, বাঁশখালীর ৪০ কি.মি. সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশাল বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুতগামী বাসগুলো চলাচলে বাসের যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সড়কের গর্তগুলো ভরাটের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে বলা হয়েছে। তবুও সড়কটির সংস্কার কাজে কোন গতি ফিরে আসছে না।

দোহাজারী সড়ক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, বাঁশখালী প্রধান সড়কের বিভিন্ন গর্তগুলোতে ইটের কংকর দিয়ে ভরাট ও কিছু গর্তে কার্পেটিং করা হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে সংস্কারের কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

The Post Viewed By: 87 People

সম্পর্কিত পোস্ট